
গুচ্ছকবিতা :: পল্লব মোহাইমেন
সূর্যের সেই সোনারঙা আলো শরীরী বাঁকে এনে দেয় মহুয়ার ঘ্রাণ।

সূর্যের সেই সোনারঙা আলো শরীরী বাঁকে এনে দেয় মহুয়ার ঘ্রাণ।

কেন তবে ভালোবাসা জন্মেছিল এই বুকে কেন তবে সমর্পিতা হয়েছিল সেই নারী, কেন কেন?

অবিনাশী মন্ত্রের আমি এক কাপালিক বিধবা বাতাসে নাচাই ডোম্বী

হাতের কাছে দৃশ্যত যা; সবই নিই কেড়ে, মনে আমার সায় না দিলে; ফিরি সব ছেড়ে।

এর মধ্যেই আমাকে টিকে থাকতে হবে, যেভাবে মাটির গভীরে স্ট্র দিয়ে গাছ শুষে নেয় জীবনের মিষ্টি রস।

চৈতালি বিকেল, নতুন চালের ক্ষীর, পুতুল নাচের অনন্ত ইশারা চলো যাই চন্দ্রদ্বীপে, হরিকেলে, তাম্রলিপ্তি, দ্বীপান্বিতা গৃহে।

ব্ল্যাকবোর্ডের সব লেখা ডাস্টার দিয়ে মুছে দিতে পারো ইচ্ছে করলেই।

কেউ জ্বালাতে ও পোড়াতে ভালোবাসে খুব কেউ কেউ ছাই দিয়েও রচনা করতে পারে প্রেম

কিস্তি চাউর হলে এইখানে ডুবে যায় হাঁটুজলে হাতি পাতি তলে তলে চায়ের বাগান হয়ে গণতন্ত্রের মতো ফোটে

একলা আকাশ জোয়ার এলে দুকূলে ছাপে স্মৃতির চর আমি তখন রূপান্তরিত নির্ভরযোগ্য এক অন্য নাগরিক হয়ে যাই।

ওত পেতে বসে আছে বিধ্বংসী কাছিম গতির দিন সুযোগ কোথায়, তার সঙ্গে বহুদিন পর দ্বিরালাপ।

কেউ একজন জানালায় টোকা দিয়ে জানতে চাইল নৈশ-স্কুলের ঠিকানা!