
বাংলাদেশে অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ণ কেন প্রয়োজন
‘গণতন্ত্র’ ধারণাটিকে আমরা সাধারণত রাজনৈতিক গণতন্ত্রের সঙ্গেই সমার্থক মনে করি।
মতামত ও বিশ্লেষণ

‘গণতন্ত্র’ ধারণাটিকে আমরা সাধারণত রাজনৈতিক গণতন্ত্রের সঙ্গেই সমার্থক মনে করি।

প্রথমবারের মতো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে ইরানের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য শুধু নিষেধাজ্ঞাকেই দায়ী করা যায় না।

আল্লাহ আরও বলেন, ‘তুমি এতিমের প্রতি কঠোর হয়ো না।’ (সুরা-৯৩ দুহা, আয়াত: ৯)

গত কয়েক দশকে বাংলাদেশের যে অগ্রযাত্রা, তার পেছনে শিক্ষা, অর্থনীতি ও সামাজিক উন্নয়নে নারীর অবদান নিশ্চিত করেই বড় ভূমিকা রেখেছে।

রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমান অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করার কথা বলা হলেও ডিজিটাল সেবা নকশা ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সেই অঙ্গীকার এখনো পূর্ণভাবে প্রতিফলিত হয়নি।

গ্রিনল্যান্ডে এখনো পুরোপুরি কাজে না লাগানো তেল ও গ্যাসের বিশাল ভান্ডার রয়েছে। বরফ গলে গেলে বিরল খনিজ সম্পদের উত্তোলন আরও সহজ হবে। এটি ভবিষ্যতের প্রযুক্তি ও অস্ত্রশিল্পের জন্য অপরিহার্য। যদি ট্রাম্পের আগ্রহ বিরল খনিজে হয়, তাহলে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড—উভয় পক্ষই অংশীদারিমূলক চুক্তির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কিন্তু ট্রাম্প যে ভাগাভাগির পথে হাঁটছেন—তার কোনো লক্ষণ নেই।

আমরা এই জিনিস ভুলে গিয়ে একে আর একজনকে ভারতপন্থী বলে ট্যাগের মাধ্যমে বিভাজনের রাজনীতিই করে যাচ্ছি। কিন্তু যারা বলছে তারা এখনো কোনো পলিসি দেখাতে পারছে না, উপরন্তু ভাঙচুর এবং মবের মাধ্যমে সারা দেশ অস্থিতিশীল করছে। তাদের এই বিভাজনের রাজনীতি ফ্যাসিস্ট লীগের অনুরূপ এবং তা ভারত এবং লীগকেই শক্তিশালী করবে। ভারত এই দেশে পতিত লীগ ছাড়া আর কাউকেই বিশ্বাস করবে না, এই জিনিস যত আগে মেনে নিতে পারেন ততই ভালো।

চার দশকের বেশি সময় ধরে নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম, ত্যাগ আর আপসহীন নেতৃত্বের এক দীর্ঘ অধ্যায় শেষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।

ভেনেজুয়েলায় যা ঘটছে, তা কোনো আদর্শিক লড়াই বা দুই রাষ্ট্রের সংঘাত নয়; এটি একধরনের বৈশ্বিক ‘রিসিভারশিপ’

বাংলাদেশের বড় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাম্প্রতিক ছাত্র সংসদ নির্বাচনগুলোর ফলাফল কৌতূহলোদ্দীপক হলেও অপ্রত্যাশিত নয়।

অভ্যুত্থানের চেতনা কতখানি বেহাত হলো, সে বিষয়ে সন্দিহান করে তোলে। কেননা, জুলাইয়ের সময় ‘বৈষম্যহীন’, ‘নতুন বন্দোবস্ত’ ও ‘ইনসাফের’ জন্যই সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল। দিন শেষে মানুষ শান্তি চায়, চায় জীবনমানের দৃশ্যমান উন্নতি। এই চাওয়ার কতখানি পেলাম আমরা, তা নৈর্ব্যক্তিকভাবে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি।

আমরা কি শিক্ষাব্যবস্থাকে পরীক্ষার ফলাফলের কারখানা হিসেবেই রেখে দেব, নাকি মানুষের পূর্ণাঙ্গ বিকাশের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলব? যদি আমাদের লক্ষ্য হয় একটি মানবিক, নৈতিক ও সুস্থ বাংলাদেশ, তবে সেই স্বপ্নের ভিত্তি গড়তে হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই। ‘ওয়েল-বিয়িং’ ক্লাব সেই ভিত্তি নির্মাণের একটি নীরব, কিন্তু শক্তিশালী পথ।