
সার্কের পুনরুজ্জীবন কূটনৈতিক অগ্রাধিকারে রাখা কেন জরুরি
দক্ষিণ এশিয়ায় নিরাপত্তাহীনতা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও রাজনৈতিক অবিশ্বাসের পেছনে বড় কারণ সার্কের অচলাবস্থা।
মতামত ও বিশ্লেষণ

দক্ষিণ এশিয়ায় নিরাপত্তাহীনতা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও রাজনৈতিক অবিশ্বাসের পেছনে বড় কারণ সার্কের অচলাবস্থা।

২০২৫ সালজুড়ে ট্রাম্প প্রশাসনকে ঘিরে ইউরোপীয় নেতাদের লক্ষ্য ছিল একটাই—যুক্তরাষ্ট্রকে ইউরোপের নিরাপত্তাকাঠামো, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ন্যাটোর সঙ্গে যুক্ত রাখা।

গ্রামীণ ও শহর জীবনে শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহানো একটি চিরচেনা দৃশ্য।

নিউইয়র্ক শহরটা আমার বরাবরই খুব প্রিয়। ওখানে গেলেই আমি স্বভাবতই পুরোনো বুকস্টোরগুলোর দিকে চলে যাই। বার্নস অ্যান্ড নোবেলের ঝকঝকে স্টোরগুলো থেকে ওই পুরোনো তাক, ধুলা জমা বই, মানুষের হাতের আঁকিবুঁকি লেখা মার্জিন নোট আমাকে বেশি টানে।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবে ইরানে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির ৪০ বছরের শাসনের পতন ঘটে। তখন তাঁর বড় ছেলে রেজা পাহলভির বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। তেলসমৃদ্ধ হাজার বছরের পুরোনো সেই সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী হিসেবে তিনিই ছিলেন প্রথম সারিতে। নিজের ‘জন্মগত অধিকার’ হারানোর প্রায় অর্ধশতাব্দী পর ৬৫ বছর বয়সে এসে পাহলভির অপেক্ষার প্রহর হয়তো শেষ হতে চলেছে।

নির্বাচনী জোট আর ভারতবিরোধী রাজনীতির ডামাডোলে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্থনৈতিক ইস্যু বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে গুরুত্ব পায়নি।

পাইপলাইনের গ্যাস–সংযোগ বন্ধ হওয়ার পর রান্নার কাজে বিকল্প হয়ে উঠেছে এলপিজি।

কয়েক মৌসুম ধরে যে ফসলের দাম নিয়ে দেশের বৃহৎ ভোক্তাসমাজে কোনো হা–হুতাশ দেখা যায়নি, আলু সেই ফসলের নাম।

লাতিন আমেরিকার সমাজ আরব সমাজের মতোই। সেখানে দেশগুলোকেও আত্মমগ্ন ও জনতুষ্টিবাদী নেতাদের বোঝা বইতে হয়। আমি ২০০৭ সালে কারাকাস গিয়েছিলাম। তখন শহরটিকে সুন্দর ও পরিষ্কার মনে হয়েছিল। শহরটিকে ঘিরে বেশ কিছু বস্তি ছিল। আমাদের গাইড আক্ষেপ করে বলেছিলেন, বস্তিবাসীরা সবাই অভিবাসী। উন্নত জীবনের আশায় লাখ লাখ মানুষ এই তথাকথিত ধনী দেশে এসে জড়ো হয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীন বাঁচার সবচেয়ে জরুরি নিয়ম একটাই—তাঁর কথা বিশ্বাস করবেন না।

এইবারের নির্বাচনের মনোনয়নের সঙ্গে দেওয়া হলফনামা দেখে যা বুঝেছি, পুরোনো রাজনীতিবিদদের হলফনামা খুব বোরিং। বিএনপির আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী কিংবা এলডিপির কর্নেল অলি আহমদ অনেকবার নির্বাচন করেছেন। তাঁদের সেই একই হলফনামা। তবে এখন যাঁরা নতুন বা তরুণ নেতা, তাঁদের হলফনামায় চমক আছে।

নির্বাচনের আর মাসখানেক বাকি। এখন চলছে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করার কাজ। সেই সঙ্গে চলছে দলগুলোর মধ্যে জোটবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা।