
বাধাহীন সাংস্কৃতিক চর্চা নিশ্চিত করতে হবে
একটি গোষ্ঠীর চাপে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চলচ্চিত্র প্রদর্শনী বন্ধের ঘটনা উদ্বেগজনক। এ ধরনের ঘটনা নাগরিকের সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ বলে আমরা মনে করি।

একটি গোষ্ঠীর চাপে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চলচ্চিত্র প্রদর্শনী বন্ধের ঘটনা উদ্বেগজনক। এ ধরনের ঘটনা নাগরিকের সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ বলে আমরা মনে করি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বনলতা এক্সপ্রেস সিনেমা প্রদর্শন বন্ধ ও নেত্রকোনায় সাংস্কৃতিক আয়োজনে বাধার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র।

সংস্কৃতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া মানে কেবল একটি সিনেমার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া নয়; এটি মানুষের স্বাধীন চিন্তা, স্বাধীন পছন্দ এবং নাগরিক অধিকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া। তাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এই ঘটনা শুধু একটি জেলার ঘটনা নয়, এটি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার প্রশ্ন।

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের সহধর্মিণী সিদ্দিকা জামান তার স্মৃতিতে লিখেছেন, তাঁর সঙ্গে বিবাহিত জীবন ছিল প্রায় ৫৯ বছরের। ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা যুদ্ধ, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে তাঁর অবদানের স্মৃতি তুলে ধরেছেন। অন্যরা তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণে যত্নশীল হয়ে উঠেছে।

এ বছর লোকসাহিত্য গবেষণা, সাহিত্যসৃষ্টি ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তাঁকে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬ (মরণোত্তর) প্রদান করা হয়েছে। পুরস্কারটি ঘোষণার পর আনন্দে আর উত্তেজনায় সারা রাত জেগে থেকে আনমনে বাবার সঙ্গে কথা বলেছি।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালায় ০৯ এপ্রিল বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। বালক-বালিকাদের বিভিন্ন খেলাসহ গ্রামের ঐতিহ্যবাহী খেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সবাই অংশ নেয়। বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজসহ গণ্যমান্যরা।

লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে ১৭ বছর পর বিএনপি নেতারা আমন্ত্রিত হন। কংগ্রেসওম্যান লরা ফ্রিডম্যান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং বিভিন্ন স্বীকৃতি সনদ হস্তান্তর করেন। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য উচ্চারিত হয়।

ম্যানিটোবার বাংলাদেশি কমিউনিটি কানাডায় বসন্তের আগমন এবং ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের সঙ্গে মিলিয়ে ২৯ মার্চ একটি বর্ণিল অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। স্থানীয় রাজনীতিবিদরা শুভেচ্ছা জানান এবং কমিউনিটির প্রশংসা করেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান, নৃত্য ও কবিতায় সবাই মুগ্ধ হয়।

স্বাধীনতা দিবসে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সবার জন্য উন্মুক্ত।