
মিড-ডে মিল: স্কুলে পচা খাবার সরবরাহের অভিযোগে দুজন গ্রেপ্তার
মাদারীপুরে মিড–ডে মিল প্রকল্পে অনিয়মে জড়িত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে।

মাদারীপুরে মিড–ডে মিল প্রকল্পে অনিয়মে জড়িত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে।

মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি সভায় বসেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

‘মিড–ডে মিল’ খাবারের তালিকায় রয়েছে বানরুটি, সেদ্ধ ডিম, কলা, ইউএইচটি দুধ ও ফর্টিফায়েড বিস্কুট (বাড়তি পুষ্টিসমৃদ্ধ)। যদিও সম্প্রতি কিছু এলাকায় পচা বা কাঁচা কলা, নিম্নমানের বানরুটি ও নষ্ট সেদ্ধ ডিম বিতরণের ঘটনা ঘটেছে।

শিশুশিক্ষার্থীদের মধ্যে দুপুরের খাবার বিতরণ একটা বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অভিযোগ খাদ্যের মান নিয়ে।

নরসিংদী শহরের বৌয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী ৩৩৯ জন। গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ওই বিদ্যালয়ে দেখা যায়, উপস্থিত ২৪০ শিক্ষার্থীকে একটি করে সেদ্ধ ডিম এবং দুই পিস করে বানরুটির একটি প্যাকেট দেওয়া হয়েছে।

করোনা ও যুদ্ধের প্রভাবে শিক্ষার্থী ড্রপআউট বেড়েছে, মিড-ডে মিল এতে সাহায্য করছে কিন্তু খাবারের নিম্নমান নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। অনিয়ম দমন করে মান নিশ্চিত করতে হবে যাতে প্রকল্প সফল হয়। সরকার ৩৪৮ উপজেলায় এটি ছড়িয়ে দিচ্ছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, আগামী বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইভিত্তিক শিক্ষা নয়; বরং নেতৃত্ব, নাগরিক দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা ও সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে বিশ্বমানের নেতৃত্বে গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচির আওতায় সম্প্রতি দেশের কিছু এলাকায় পচা বা কাঁচা কলা, নিম্নমানের বানরুটি ও নষ্ট সেদ্ধ ডিম বিতরণের ঘটনা ঘটে।

‘মিড–ডে মিল’ কর্মসূচি সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এই কর্মসূচিতে যেসব অনিয়ম দেখা গেছে, তার প্রতিকারের জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। তা ছাড়া সরকার মেয়েদের জন্য বিনা মূল্যে স্নাতক শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনার সুযোগ দিতে চায়। কিন্তু এখানে খেয়াল রাখা দরকার, কেবল অর্থসংকট নয়, সামাজিক নিরাপত্তার অভাবেও অনেক মেয়েশিশু পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ঘোষণা দিয়েছেন, সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বছরে একবার বিনামূল্যে ইউনিফর্ম দেওয়া হবে। বর্তমান সরকারের মেয়াদে এ সুবিধা সব বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে। এছাড়া মিড ডে মিল, যুগোপযোগী শিক্ষাক্রম ও শিক্ষক প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়ে তিনি বিস্তারিত বলেন।