
ব্রেন টিউমার আক্রান্ত অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি এখন যেমন আছেন
সফল অস্ত্রোপাচারের পর অভিনয় অঙ্গনের মানুষের পাশাপাশি তানিয়া বৃষ্টির ভক্ত–শুভাকাঙ্ক্ষীরাও স্বস্তিতে আছেন। এখন কেমন আছেন, তা নিয়ে চিন্তিত ভক্ত–শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

সফল অস্ত্রোপাচারের পর অভিনয় অঙ্গনের মানুষের পাশাপাশি তানিয়া বৃষ্টির ভক্ত–শুভাকাঙ্ক্ষীরাও স্বস্তিতে আছেন। এখন কেমন আছেন, তা নিয়ে চিন্তিত ভক্ত–শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

তানিয়া বৃষ্টির অসুস্থতার খবরটি তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে জানানো হয়। সেখানে অনুরোধ করা হয় শুটিং বা কাজসংক্রান্ত বিষয়ে আপাতত ফোন বা খুদে বার্তা দিয়ে বিরক্ত না করতে।

মরণঘাতী ব্রেন টিউমার বা মস্তিষ্কের ক্যানসার নিখুঁতভাবে শনাক্ত করতে যেখানে আগে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লেগে যেত, সেখানে নতুন একটি এআই প্রযুক্তি মাত্র কয়েক মিনিটে এই রোগ নির্ণয় করতে পারছে।

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচারে কোনো জটিলতা হয়নি। তবে নির্মাতা হাসান রেজাউল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কখনো তীব্র মাথাব্যথা অনুভব করতেন, কখনো বা জ্বর-ঠান্ডা লেগে থাকত তানিয়া বৃষ্টির। কিন্তু খুব একটা পাত্তা দেননি। পরীক্ষা–নিরীক্ষা শেষে জানা যায়, তানিয়া ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত।

অস্ত্রোপচারের পর কয়েক দিন হাসপাতালে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে ছিলেন এই অভিনেত্রী। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় বাসায় ফিরেছেন তিনি এবং বর্তমানে পুরোপুরি বিশ্রামে আছেন।

পরিবার-ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, সপ্তাহে পাঁচ দিন করে ১২ সপ্তাহের চিকিৎসায় এরই মধ্যে প্রায় ৬০টি কেমোথেরাপি নিতে হয়েছে ইলিয়াস কাঞ্চনকে।

কিছুদিন আগেই ব্রেন টিউমার ধরা পড়ার পর এবং অস্ত্রোপচার শেষে প্রথমবারের মতো ফেসবুক লাইভে আসেন অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি।

ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে গতকাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান কক্সবাজারের ১০ বছর বয়সী সিদরাতুল জান্নাত। স্কুল শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখা এই একমাত্র মেয়েকে বাঁচানো যায়নি। স্থানীয় ও প্রবাসীদের সাহায্য সত্ত্বেও চিকিৎসায় ব্যর্থ হয় পরিবার।