
সিঙ্গাপুর ওয়াইল্ড ওয়াইল্ড ওয়েটে আনন্দভ্রমণ
সিঙ্গাপুরপ্রবাসী সাইফ তমালের লেখায় রোববারের আনন্দভ্রমণের কথা বলা হয়েছে। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, ভ্রমণ ও স্মৃতি সংগ্রহে মনের ক্লান্তি দূর হয়।

সিঙ্গাপুরপ্রবাসী সাইফ তমালের লেখায় রোববারের আনন্দভ্রমণের কথা বলা হয়েছে। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, ভ্রমণ ও স্মৃতি সংগ্রহে মনের ক্লান্তি দূর হয়।

নিস, ভেন্তিমিলিয়া, সানরেমো ও মোনাকো ভ্রমণের অভিজ্ঞতা লিখেছেন রহমান মৃধা।

ভানুয়াতু ভ্রমণের ইচ্ছা ডিসেম্বর ২০২৪ থাকলেও সুযোগ হয়নি। ভূমিকম্প আঘাত হানে ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪। তাই এবারে ডিসেম্বর ২০২৫ অনেকটা হঠাৎ করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি ‘নিউ ইয়ার’ উদ্যাপন ও ভ্রমণ করতে পোর্ট ভিলাতে যাব।

প্যারিস ভ্রমণে আইফেল টাওয়ারের দিন-রাতের রূপ ও নটরডেম ক্যাথেড্রালের ঐতিহাসিক নীরবতা উপভোগ করেছেন লেখক। শেইন নদী ক্রুজে ভালোবাসার তালা দেখে অবাক হয়েছেন। ঐতিহাসিক তথ্যসহ স্মৃতিময় অভিজ্ঞতা。

চাকরির তাগিদে পৃথিবী ঘোরা থেকে শুরু করে হংকংয়ের আলোঝলমল নগরীতে প্রথম চাকরি ও স্থানীয়দের আচরণের তিক্ত অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন লেখক। পাতালরেল ভ্রমণের মুগ্ধতা থেকে পার্কে বাচ্চার সঙ্গে ছবি তোলায় পুলিশের হাতে ধরা—সবই এই লেখায়। আলোর শহরের আড়ালে লুকিয়ে মানুষের মনের অন্ধকারও উঠে এসেছে।

পবিত্র রমজানের মধ্যেই সহকর্মী মালয়েশিয়ায় প্রবাসী সাংবাদিকেরা সিদ্ধান্ত নিলেন ঈদে দূরে কোথাও ভ্রমণে যাবেন।

দিগন্তজোড়া নীল জলরাশি। ছবি তুললেও মন পড়ে ছিল সেই ‘R Tagore’ নামটার কাছে। লেকের পাশের রাস্তা ধরে হাঁটতে লাগলাম, খুঁজতে লাগলাম নামের মাহাত্ম্য।

দেবুদের বাড়িটা নিউইয়র্ক শহর থেকে এক–দেড় ঘণ্টার দূরত্বে অরেঞ্জ কাউন্টিতে। কাউন্টি হচ্ছে ছোট ছোট প্রশাসনিক ইউনিট। বাংলাদেশে যেমন উপজেলা, পৌরসভা, গ্রাম আছে—অনেকটা সে রকম।

এই মামিই হচ্ছেন সেই মামি, যাঁকে ইতিহাস হিসেবে দেখি। দৃষ্টান্ত হয়ে থাকার মতো, কেবল অভিবাসীই নয়, সবার প্রেরণা পাওয়ার মতো ইতিহাস। ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে মার্কিন স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত ডা. আসমা আহমেদ একই সঙ্গে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের সেবায় পারদর্শিতা দেখিয়ে বিশেষ সুনাম অর্জন করেছেন।

কাতারে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘বৈরিতা নয় বন্ধুত্ব’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান।

ভাঙা জিনিস কেউ ফেলে দেয়, কেউ আলমারির নিচে ঠেসে রাখে— কিন্তু কেন রাখে, এই পাঠ পৃথিবীর

বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দাবি করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ (প্রায় ৫৪ শতাংশ) কোনো না কোনোভাবে সরকারি সামাজিক সহায়তা বা ওয়েলফেয়ার গ্রহণ করছেন।