
রুদ্রের মতো
এটি একটি কবিতা, সংবাদ নয়। কবিতায় কবি ‘রুদ্র’ হতে চাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ও প্রেমের জটিলতা প্রকাশ করেছেন।

এটি একটি কবিতা, সংবাদ নয়। কবিতায় কবি ‘রুদ্র’ হতে চাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ও প্রেমের জটিলতা প্রকাশ করেছেন।

ইদানীং কিছু ইচ্ছে ভীষণ রকম করে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে যাচ্ছে, না চাইলেও চোরাবালির মতো ডুবে যাচ্ছি।

একলা আকাশ জোয়ার এলে দুকূলে ছাপে স্মৃতির চর আমি তখন রূপান্তরিত নির্ভরযোগ্য এক অন্য নাগরিক হয়ে যাই।

হাতের কাছে দৃশ্যত যা; সবই নিই কেড়ে, মনে আমার সায় না দিলে; ফিরি সব ছেড়ে।

জ্যোৎস্নারাতে ‘আরণ্যক’ পড়ব।

সূর্য এখন প্রখর ভীষণ কাঠফাটা রোদ আগুন ঝরায়, চিলেকোঠার জিনিসগুলো ছাদ–আঙিনায় রোদের অপেক্ষায়।

আসলেই আমি অকর্মা, আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না।

নিউইয়র্কপ্রবাসী কবি তাঁর কবিতায় ভালোবাসা ও দূরত্বের সম্পর্ক নিয়ে গভীর ভাবনা প্রকাশ করেছেন।

কবিতায় কবি দূরত্ব, হারানো, অন্ধকার ও স্বপ্নের কথ বলেছেন।

নিষ্পাপ নিথর দেহটা কত কিছুই না বলবে— কেন তাকে ছিন্নভিন্ন করা হলো? কোন দোষে জীবন গেল? কোন পাপে মানুষ নামের হায়েনার দল ছিঁড়ে খেল তাকে?

পাকছে মাথার চুল ধরবে হাড়ে ঘুণ অচিন পাখি ডাকবে বলে আমার কথা শুন

কত বঞ্চনা তবুও করি তার বন্দনা আমি নই পণ্য, তুমি চতুর তুমি শিকারি