
গাজা যুদ্ধের ১ হাজার দিন: ৯০ শতাংশের বেশি এলাকা ধ্বংস, ইসরায়েলের দখল ৮০ শতাংশ
গাজায় এখনো ৯ হাজার ৫০০ জন নিখোঁজ

গাজায় এখনো ৯ হাজার ৫০০ জন নিখোঁজ

ইসরায়েলের আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি ক্রীড়াবিদ প্রাণ হারিয়েছেন।

মাসের পর মাস যুদ্ধ, চাপ আর কূটনৈতিক নাটকীয়তার পর লেবানন কার্যত ইসরায়েলের সঙ্গে একটি ‘ইচ্ছাপত্রে’ প্রবেশ করেছে। এর প্রতিক্রিয়া আসতে দেরি হয়নি। লেবাননের বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তি, বিশেষ করে হিজবুল্লাহ ও তাদের মিত্ররা এই চুক্তির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। রাস্তায় প্রতিবাদ হয়েছে, সংবাদমাধ্যমেও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে মার্কিন প্রশাসন পরস্পর সাংঘর্ষিক দুটি চুক্তি সই করেছে। ইরানের ওপর শান্তির শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার যে ক্ষমতা ইসরায়েল হারিয়েছিল, সেটি তারা এখন লেবাননে ফিরে পেতে চাইছে।

জেরুজালেমে নতুন ও স্থায়ী দূতাবাস নির্মাণে চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড নিয়ে গঠিত জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন জানিয়েছিল, গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে স্বাক্ষরিত নিরাপত্তা চুক্তিটি হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের মূল সংঘাতের সমাধান করার পরিবর্তে উল্টো অচলাবস্থাকে আরও দীর্ঘায়িত করার ঝুঁকি তৈরি করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ২০২৫ সালে পাঁচবার ওয়াশিংটন সফর করেছিলেন।

ট্রাম্পকে কি এখনো হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলা যায়?

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রক্সি বাহিনীর ব্যবহার অস্থিরতা বাড়াচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নেতাদের বিরুদ্ধে শিশুহত্যার বিচার দাবি করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনি।

‘এমন পদক্ষেপ লেবাননকে শত্রু ইসরায়েলের হাতের পুতুলে পরিণত করবে।’