
জাপানে প্রবাসজীবনে পয়লা বৈশাখ—স্মৃতি, শিকড় আর নতুন আশার গল্প
জাপানে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন নিয়ে লেখক তুলে ধরেছেন প্রবাসজীবনের নানা দিক। প্রবাসে থাকতে গিয়ে যেভাবে মাতৃভূমির স্মৃতি ও সংস্কৃতি জীবন্ত হয়ে ওঠে, তা গভীরভাবে ব্যক্ত করেছেন।

জাপানে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন নিয়ে লেখক তুলে ধরেছেন প্রবাসজীবনের নানা দিক। প্রবাসে থাকতে গিয়ে যেভাবে মাতৃভূমির স্মৃতি ও সংস্কৃতি জীবন্ত হয়ে ওঠে, তা গভীরভাবে ব্যক্ত করেছেন।

মিম-সংস্কৃতি ও পয়লা বৈশাখ—দুটি ভিন্ন মাধ্যম হলেও উদ্দেশ্য এক—মানুষের অভিজ্ঞতাকে প্রকাশ করা এবং সময়ের ভাষায় তাকে জীবন্ত রাখা। উভয়ই আমাদের সংস্কৃতির ধারাবাহিকতার অংশ।

প্রতিদিনের একঘেয়েমি দূর করতে নতুন ভাষা শেখা চমৎকার উপায়। এতে সংস্কৃতি, চিন্তাভাবনা ও মস্তিষ্কের উন্নতি হয়। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও গবেষণার আলোকে জানুন কেন শুরু করবেন এখনই।

প্রবাসে থেকেও দেশীয় সংস্কৃতি ধরে রাখতে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে এসব মেলা এখন বাংলাদেশি কমিউনিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন হয়ে উঠেছে।

এবারের উৎসবের প্রতিপাদ্য ‘সংস্কৃতি-বিরোধী আস্ফালন রুখে দিবে কবিতা’।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক জোট’ আয়োজিত ‘ফোক–সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠানে শিল্পীদের সম্মিলিত কণ্ঠে ইসলামি, লোকসংগীত ও লালনগীতি পরিবেশিত হয়।

ইউল্যাবে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী ও লংমার্চ বিজয়ের ৯০তম বার্ষিকী উপলক্ষে ‘গ্রেট জার্নি, শেয়ার্ড ফিউচার’ শীর্ষক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গণ-অভ্যুত্থান–পরবর্তী বাস্তবতায় রাজনৈতিকভাবে একটি স্থিতিশীল ব্যবস্থায় ফিরে আসা অনেক সময়ই কঠিন হতে পারে। আবার সেই প্রেক্ষাপট নিয়ে আসতে পারে ইতিবাচক বদলের হাতছানি। বিগত দুই বছরের কাছাকাছি সময়ে সংস্কার নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে, দেখেছি অনেক কমিশনের সুপারিশ এবং শেষে জুলাই সনদ। কিন্তু এত আয়োজনের পরও আমরা আসলে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কতটা বদল দেখছি বা প্রত্যাশা করছি, সেটি একটি বড় প্রশ্ন।

একজন বাংলাদেশি লেখক চীনে প্রথমবার পা রেখে ভাষা ও সংস্কৃতির বাধার মুখে পড়েন। কিন্তু সেখানকার সাধারণ মানুষের অকৃত্রিম মানবিকতায় তিনি মুগ্ধ।

বাংলার লোকসংগীতের অফুরন্ত খনি পূর্ববঙ্গের সঙ্গে আমাদের দৈহিক বিচ্ছেদ যে লোকসংগীতের ক্ষেত্রে কী অপূরণীয় ক্ষতি সাধন করেছে, তার মূল্যায়ন আজও হয়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে ধর্মীয় বিধিনিষেধ ও সাংস্কৃতিক বাসনার মধ্যে পুরোনো কিছু বিতর্ক নতুন করে হাজির হয়েছে।

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় আজীবন শিল্পের নিবেদিত এই সাধক মুস্তাফা মনোয়ারকে।