
যখন সূর্য ডোবে না
সুইডেনের মিড সামার উৎসবের ব্যক্তিগত ও গভীর অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন লেখক রহমান মৃধা। ৪০ বছর ধরে এই উৎসব তাঁর কাছে শুধু বার্ষিক উদ্যাপন নয়, বরং মানবিক পুনর্জাগরণের মতো।

সুইডেনের মিড সামার উৎসবের ব্যক্তিগত ও গভীর অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন লেখক রহমান মৃধা। ৪০ বছর ধরে এই উৎসব তাঁর কাছে শুধু বার্ষিক উদ্যাপন নয়, বরং মানবিক পুনর্জাগরণের মতো।

২৭ এপ্রিল ২০২৬। ভোরে ঘুম থেকে উঠে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম বহুল পরিকল্পিত সামার ভ্যাকেশন কাটাতে যাওয়ার জন্য—অন্য রকম একটা অনুভূতি নিয়ে। আমি, আমার মেয়ে ও তার মায়ের মুখে এক অন্য রকম আনন্দে বিমোহিত সুখ।

ইতালির মিলানে গ্রেটার সিলেট অ্যাসোসিয়েশনের নতুন নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।

দারিদ্র্য ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তাঁর মা শিক্ষার ক্ষমতায় বিশ্বাস করতেন। তিনি ৯টি সন্তানকে অমানবিক পরিশ্রম ও ভালোবাসায় বড় করেছেন এবং তাঁদের মধ্যে স্বাধীনতা ও স্বপ্নের বীজ বপন করেছেন। সুইডেনে বসবাসকারী রহমান মৃধার লেখায় মায়ের স্মৃতি জীবন্ত হয়ে উঠেছে।

প্রবাসী লেখক মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান বর্ণনা করেছেন মায়ের অতুলনীয় ভালোবাসা ও শান্তির কথা। বিলেতে প্রথম ঈদের শূন্যতা, অসুস্থতায় মায়ের দোয়া এবং মায়ের বিদায়ের কষ্ট তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে। এখন মা না থাকায় ঈদগুলো আরও একাকী লাগে।

প্রবাসী লেখক রহমান মৃধা তাঁর মায়ের জীবনী বর্ণনা করেছেন, যিনি ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতির জন্ম দেখেন এবং নয় সন্তানকে গড়ে তুলে বাংলার মায়ের শক্তি প্রমাণ করেন। ২০০৬ সালে সুইডেনের স্লাকায় ইন্তেকাল করেন তিনি। দূরপরবাসে মায়ের নীরব উপস্থিতি এবং ত্যাগের গল্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নৈশভোজে অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটার পর লেখক রাষ্ট্র, ক্ষমতা ও নাগরিক নিরাপত্তার সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন।

জার্মানির বার্লিন শহরে বৈশাখবরণ অনুষ্ঠান অত্যন্ত বর্ণাঢ্যভাবে উদ্যাপিত হয়েছে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদ্যাপন উপলক্ষে আঙ্কারায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে এক প্রাণবন্ত সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

জ্যোৎস্নারাতে ‘আরণ্যক’ পড়ব।

হোটেলে ঢুকতেই প্যারিসের মাটিতে বাংলার আসল রূপ দেখা গেল, রেস্তোরাঁটির সব টেবিল ঠাসা বাঙালিতে ভরা। সবাই হইহই করে কাচ্চি বিরিয়ানি খাচ্ছে আর উচ্চ গলায় গল্পে রেস্তোরাঁটির পরিবেশ গরম করে রেখেছে।

গুড মর্নিং বাংলাদেশ। এটি কেবল একটি শুভেচ্ছা নয়। এটি একটি আহ্বান। জেগে ওঠার, প্রশ্ন করার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তোলার আহ্বান।