দেশে–বিদেশে সর্বত্র বৈশাখবরণ এখন সর্বজনীন। নতুন বছরকে আবাহন এবং নতুন জীবন বরণ করার তাগিদ যেন বিগত বছরগুলোর তুলনায় আরও বেড়েছে। শুধু বার্লিন নয়, প্রবাসের নানা দেশে যেখানেই বাঙালি, সেখানেই নতুন বছরকে আবাহনের আকুতি।

.

জার্মানির রাজধানী বার্লিন শহরে ‘উদ্‌যাপন’ নামে সংগঠনটি দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজন করেছিল বর্ণাঢ্য বৈশাখবরণ উৎসব। চমৎকার রৌদ্রজ্জ্বল দিনে ২৫ এপ্রিল বার্লিন শহরে ফ্রিডরিশহাইন এলাকার ভাইনস্ট্রাসে হয়ে উঠেছিল জমজমাট উৎসবমুখর।

.
দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: dp@prothomalo.com
.

উৎসবের মঞ্চজুড়ে সারা দিন ছিল কবিতা, গান, নাটক। মঞ্চ থেকে বৈশাখ নিয়ে ইতিহাসের অসাম্প্রদায়িক ধারা এবং এই উৎসবকে নিয়ে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর নানা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে নিন্দা জানানো হয়।

মূল অনুষ্ঠান শুরুর আগে অন্যতম আকর্ষণ ছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা। বাদ্য বাজিয়ে বাঙালি সংস্কৃতির নানা প্রতীক আর রঙিন পোশাকে বার্লিনের রাজপথে পথচারীদের নজর কেড়েছিল।

.

যে সংস্কৃতির মাধ্যমে বাঙালি সমাজ ও সভ্যতা গড়ে উঠেছে, তার ছায়া দেখা গেল উৎসব প্রাঙ্গণে। সহস্রাধিক মানুষের উপস্থিতিতে সারা দিন বার্লিনের ভাইনস্ট্রাস হয়ে উঠেছিল উৎসবমুখর।

.

উন্মুক্ত মঞ্চে অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্ব ছিল বার্লিন প্রবাসী বাংলাদেশি শিল্পীদের নাচ, গান, নাটক, আবৃত্তি, ব্যান্ড, কণ্ঠে সমাবেত ও একক বাংলা গান। নাটক কবিতা। ছিল দেশীয় নানা খেলাধুলার আয়োজন। পাশেই ছিল মুখরোচক খাবারের স্টল ও কাপড়ের মেলা।

.

নানা বয়সের প্রবাসী বাঙালি ও জার্মানরা সারা দিন ধরে উপভোগ করেছেন বর্ণিল বৈশাখবরণ অনুষ্ঠান। বার্লিনের ‘উদ্‌যাপন’ নামে সংগঠনটির এ ধরনের বৈশাখী আয়োজন সবার প্রশংসা কুড়িয়েছে।