
‘দ্য কিং’ পেলের উত্থান এবং ব্রাজিলের প্রথম মুকুট
ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে বিশ্বকাপের সব রোমাঞ্চকর স্মৃতি ফেরানোর আয়োজন—ফিরে দেখা বিশ্বকাপ।

ইতিহাসের ধুলো ঝেড়ে বিশ্বকাপের সব রোমাঞ্চকর স্মৃতি ফেরানোর আয়োজন—ফিরে দেখা বিশ্বকাপ।

১৯৫৪ বিশ্বকাপে হাঙ্গেরিকে হারিয়ে জার্মানির চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গল্প, যা ইতিহাসে ‘মিরাকল অব বার্ন’ নামে পরিচিত।

ভারতের ফারাক্কা ব্যারাজ কীভাবে বাংলাদেশের জন্য মরণফাঁদ হয়ে উঠেছে, তা বিশ্ববাসীর নজরে আনতে ১৯৭৬ সালের ১৬ মে এক লংমার্চ শুরু করেছিলেন মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।

যুদ্ধবন্দী শিবির থেকে ১৯৫৪ বিশ্বকাপ জয় পর্যন্ত ফ্রিটজ ওয়াল্টারের অবিশ্বাস্য যাত্রার গল্প।

৫৮ বছর আগে ১৯৬৮ সালের ১৫ মে কান উৎসবে ‘ওয়ান্ডারওয়াল’ ছবির প্রিমিয়ারে বিটলসের জর্জ হ্যারিসন ও রিঙ্গো স্টার উপস্থিত ছিলেন। জর্জ হ্যারিসন ছবির সংগীত পরিচালনা করেন এবং প্রযোজনায় সাহায্য করেন। ছবিটি পরে ওয়েসিস ব্যান্ডের গানের নামে অনুপ্রেরণা দেয়।

১৯৫০ সালের বিশ্বকাপে মারাকানায় দুই লাখ দর্শকের নীরবতায় ব্রাজিল কাঁদে, উরুগুয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। ঐতিহাসিক ম্যাচের রোমাঞ্চকর কাহিনি, বারবোসার অভিশাপ থেকে নতুন জার্সির জন্ম। ফিরে দেখা বিশ্বকাপের স্মৃতি।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে ১৯৩৮ এবং পরে ১৯৫০ বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিলেন এরিক নিলসন ও ফ্রেডি বিকেল। পরপর মাত্র দুটি বিশ্বকাপ খেলেও তাঁরা ইতিহাসে অমর। এছাড়া দুই কোচেরও অনুরূপ বিরল কীর্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

পোল্যান্ডের কিংবদন্তি ফুটবলার আর্নেস্ট ভিলিমভস্কির রহস্যময় জীবনী। ১১ আঙুলের জাদুকর ১৯৩৮ বিশ্বকাপে এক ম্যাচে ৪ গোল করলেও যুদ্ধ ও রাজনীতির কারণে ইতিহাস থেকে মুছে গেলেন। পোল্যান্ড ও জার্মানির জার্সিতে গোল করা এই তারকার ট্র্যাজিক কাহিনি।

১৯৩৮ সালের বিশ্বকাপে যুদ্ধের ছায়া পড়ল ফুটবলে। ফ্যাসিবাদী ইতালি টানা দ্বিতীয় শিরোপা জিতল ফ্রান্সে। রোমাঞ্চকর গল্প, রহস্যজনক মৃত্যু ও ঐতিহাসিক মুহূর্তের স্মৃতি ফিরে দেখুন।

১৯৩৪ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে ইতালির কাছে হেরে গ্রিস হঠাৎ প্রত্যাহার করে। ফিফা বলে ‘হতাশা’, কিন্তু মুসোলিনির চাপ, ঘুষের অভিযোগ এবং এথেন্সের রহস্যময় বাড়ির গল্প কী সত্যি? বিশ্বকাপ ইতিহাসের এই বিতর্কিত অধ্যায় নিয়ে বিস্তারিত।

১৯৩৪ সালের বিশ্বকাপে ফ্যাসিবাদী শাসক বেনিতো মুসোলিনির হস্তক্ষেপে ইতালি শিরোপা জেতে। চেকোস্লোভাকিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয় ইতালি। নকআউট ফরম্যাট, বাছাইপর্ব ও রোমাঞ্চকর ঘটনায় ভরা এই টুর্নামেন্টের স্মৃতি।

‘পাশের বাড়ির মেয়ে’ রীমা সেন ২০০০-এর দশকে তামিল-তেলুগু সিনেমায় জয়লাভ করেন। খ্যাতির শিখরে বিয়ে ও মাতৃত্বের পর তিনি সিনেমা জগৎ ছেড়ে ব্যক্তিগত জীবনে মনোনিবেশ করেন। আজও তাঁর পুরনো ছবি-গান নস্টালজিয়ার জন্ম দেয়।