
অপ্রশস্ত মহাসড়কে খোঁড়াখুঁড়ি আর খানাখন্দ, ঈদযাত্রা নিয়ে শঙ্কা
ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা থেকে বরিশাল অংশে সড়কের বেহাল অবস্থা। খানাখন্দ, সংকীর্ণতা ও চলমান বর্ধিতকরণ কাজের কারণে যান চলাচলে বাড়ছে ঝুঁকি।

ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা থেকে বরিশাল অংশে সড়কের বেহাল অবস্থা। খানাখন্দ, সংকীর্ণতা ও চলমান বর্ধিতকরণ কাজের কারণে যান চলাচলে বাড়ছে ঝুঁকি।

ইঞ্জিনসংকটের কারণে ট্রেন দেরিতে ছাড়ার এটি একটিমাত্র উদাহরণ। এ রকম ঘটনা এখন প্রায় সময় ঘটছে। কখনো কখনো সময় মেনে ট্রেন ছাড়লেও মাঝপথে বিকল হয়ে পড়ছে ইঞ্জিন। এসব কারণে গন্তব্যে পৌঁছাতে বাড়তি সময় লাগছে যাত্রীদের।

ঈদযাত্রার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাত্রীবাহী লঞ্চ দুর্ঘটনার যে ভিডিওগুলো ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো এআই দিয়ে তৈরি।

অকটেন সংকটে চট্টগ্রাম থেকে সন্দ্বীপগামী নৌপথে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন চালক ও শ্রমিকেরা। ঈদের আগে এ সংকট দূর করা না গেলে এ পথে চলাচল করা যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে চট্টগ্রাম থেকে বাড়ি ফেরা মানুষের ঈদযাত্রা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য ঈদের তারিখ ধরা হচ্ছে আগামী ২১ মার্চ। ফলে এখনো কয়েক দিন সময় থাকলেও শুক্রবার থেকেই অনেকেই বাড়ির পথে রওনা দিচ্ছেন।

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে ট্রাক চলাচল বন্ধসহ একগুচ্ছ কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে ডিএমপি।

গত ১০ দিনে পদ্মা ও যমুনা সেতুতে প্রায় ৬৪ কোটি টাকা টোল আদায় করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে বিআরটিএ সচেতনতা ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে, টার্মিনালগুলোতে ভিজিল্যান্স দল সক্রিয়।

ঈদযাত্রায় ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কে শুরুতে স্বস্তি মিললেও টাঙ্গাইলে যমুনা সেতু এলাকার আশপাশে যানজটে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন ঘরমুখী মানুষ।

চট্টগ্রাম থেকে আখাউড়া যাওয়ার জন্য বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট কেটেছিলেন পারভিন আক্তার। ট্রেনটি আজ বুধবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ছাড়ার কথা ছিল। তাই ভোরে ঘুম থেকে উঠেই ব্যাগ গোছান চল্লিশোর্ধ্ব এই নারী। সকাল সাতটায় হালিশহরের বউবাজার এলাকার বাসা থেকে সন্তানদের নিয়ে বের হন। আধা ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছে যান চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে। কিন্তু স্টেশনে এসে জানতে পারেন, ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ে ছাড়ছে না। প্রায় চার ঘণ্টা দেরি হবে।

ঈদযাত্রার শেষ দিনে দুটি ট্রেনের সময়সূচি এলোমেলো হয়ে গেল। এর মধ্যে নীলসাগর এক্সপ্রেসের যাত্রীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় আছেন।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা। এখনো মহাসড়কে ঘরমুখী মানুষের ঢল থামেনি। রাতভর যানজটে নাকাল হওয়ার পর গাজীপুরে ঢাকা–টাঙ্গাইল ও ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কে সকালে কিছুটা স্বাভাবিক অবস্থা ফিরেছে। তবে আজ বুধবার সকাল থেকে তুমুল বৃষ্টি যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়িয়েছে।