ঈদ যাত্রার শেষ দিনে দুটি ট্রেনের সময়সূচি এলোমেলো হয়ে গেল। এর মধ্যে নীলসাগর এক্সপ্রেসের যাত্রীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় আছেন। তবু ট্রেন আসছে না। ফলে শেষ দিনে বাড়িতে কখন ফিরতে পারবেন, সেটি নিয়ে চিন্তিত যাত্রীরা।
আজ বুধবার সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, কয়েক শ যাত্রী নীলসাগর ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছেন। কেউ কেউ অপেক্ষায় থাকতে থাকতে প্ল্যাটফর্মেই ঘুমিয়ে পড়েছেন।
সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ট্রেন ছাড়ার সময় হলেও যানজটের কথা চিন্তা করে নারায়ণগঞ্জ থেকে ভোর চারটার দিকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে হাজির হন রবিউল ইসলাম। তিনি নীলফামারীর ডোমারে যাবেন। কিন্তু চার ঘণ্টার বেশি সময় অপেক্ষার পরেও গন্তব্যের ট্রেনটি আসেনি। রবিউল ইসলাম মুক্তকণ্ঠকে বলেন, রাস্তায় যানজটের ভয়ে তিনি বাসে যাননি। ভেবেছেন ট্রেনে স্বস্তির যাত্রা হবে। কিন্তু ভোগান্তিতে পড়েছেন।
ছোট ভাই সিয়ামকে কোলে নিয়ে প্ল্যাটফর্মে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছেন লিমা আক্তার। সঙ্গে মা সালমা আক্তার ও স্বামী মুমিনুর রহমান। নারায়ণগঞ্জ থেকে তাঁরাও ভোর চারটার দিকে কমলাপুরে আসেন। রংপুর যেতে নীলসাগর এক্সপ্রেসের জন্য অপেক্ষা করছেন তাঁরা।
লিমা আক্তার বলেন, ‘ভোগান্তিটা তো অনেক। ট্রেন এখনো আসে নাই। কখন যাব।’
কমলাপুর থেকে পঞ্চগড়ের পর্যন্ত চলা একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও প্ল্যাটফর্মে ডিজিটাল ডিসপ্লেতে সেটি ১১টায় ছাড়বে বলে উল্লেখ করা হয়।
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে স্টেশন ম্যানেজার মো. কবীর উদ্দীন মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘গতকাল নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি কমলাপুর থেকে ছেড়ে যেতে দেড় ঘণ্টা দেরি হয়েছিল। আবার অতিরিক্ত যাত্রীর কারণে ট্রেনটি অনেক কম গতিতে গেছে। ফলে আজকে আরও দেরি হয়ে গেল। আর একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট দেরি হতে পারে।’






