
পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গলরাজের অবসান হবেই, ব্রিগেডের সভায় বললেন মোদি
মোদি চ্যালেঞ্জের সুরে বলেছেন, ২০২৬–এ এই বাংলা থেকে তৃণমূলের মহা জঙ্গলরাজের বিদায় হবে।

মোদি চ্যালেঞ্জের সুরে বলেছেন, ২০২৬–এ এই বাংলা থেকে তৃণমূলের মহা জঙ্গলরাজের বিদায় হবে।

মোদি জোর দিয়ে বলেন, এই রাজ্যে তৃণমূলের গুন্ডাগিরি আর বেশি দিন চলবে না।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাদ দিয়ে নতুন তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন কমিটি গঠন করলেন পুরোনো তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কৃত নেতারা।

সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর আগেই বিজেপি চাইছে, লোকসভায় দুই–তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আদায় করতে। প্রথমে তৃণমূল কংগ্রেস ও পরে শিবসেনার উদ্ধব গোষ্ঠীতে ভাঙন ধরানো সেই চেষ্টারই অংশ।

তৃণমূল কংগ্রেস বা নতুন তৃণমূলের নাম নিয়ে বসা যে সম্ভব হবে না, সেই ইঙ্গিত পাওয়ার পর বিদ্রোহী ২০ সংসদ সদস্য নতুন একটি অখ্যাত আঞ্চলিক দলে যোগ দিয়েছেন। ওই দলটির নাম ভারতের জাতীয়তাবাদী নাগরিক দল বা এনসিপিআই।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পরিষদীয় দলের মতো লোকসভায়ও ভেঙে গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস।

বিধানসভা নিয়ে যখন এমন নাটকীয় ঘটনা ঘটছে, এরই মধ্যে রাজ্যের সব কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস।

কেরলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ভি ডি সতীশন। দীর্ঘ ১০ দিনের জটিলতার পর কংগ্রেস হাই কমান্ড এই সিদ্ধান্ত নেয়। ইউডিএফ জোট ১০২ আসন জিতে ক্ষমতায় এসেছে।

তামিলনাড়ুতে থালাপতি বিজয়ের টিভিকে কংগ্রেস, সিপিআই, সিপিএম ও ভিসিকের সমর্থন পেলেও রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আর্লেকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের অভাব দেখিয়ে আমন্ত্রণ জানাননি। বিধানসভা মেয়াদ শেষ হচ্ছে ১০ মে, রাষ্ট্রপতি শাসনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নাটকীয়তা অব্যাহত রয়েছে।

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন শুধু তৃণমূল কংগ্রেস আর ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মধ্যে সাধারণ রাজনৈতিক লড়াই ছিল না। এই নির্বাচন এক অন্যরকম পরিস্থিতির ছবি দেখিয়েছে। এখানে রাজ্যের নির্বাচিত সরকারের শাসক দল তৃণমূলকে একসঙ্গে দু’দিক থেকে লড়তে হয়েছে। দলটির একদিকে আছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। আর অন্যদিকে রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

এপ্রিল মাসে ভোট গ্রহণ শুরু হওয়া ভারতের চারটি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গই সবচেয়ে জনবহুল। এই রাজ্যের নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল জানা যাবে ৪ মে। এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতের কেন্দ্রে আসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মধ্যে।

৮০০ কর্মীকে গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করল তৃণমূল কংগ্রেস।