
আলোকচিত্রে মৃত্যুদণ্ড থেকে বেঁচে ফেরা মানুষদের গল্প
জাতীয় জাদুঘরে শুরু হলো কনডেম সেল থেকে ফিরে আসা মানুষদের নিয়ে ব্যতিক্রমী আলোকচিত্র প্রদর্শনী।

জাতীয় জাদুঘরে শুরু হলো কনডেম সেল থেকে ফিরে আসা মানুষদের নিয়ে ব্যতিক্রমী আলোকচিত্র প্রদর্শনী।

বিদ্যুতের নতুন দাম প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন ইস্পাত ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিএসএমএর নেতারা।

গরমের ছুটি মানেই আরাম করে বই পড়ার সময়। এমন কিছু গল্প, যেগুলো বই শেষ হওয়ার পরও মাথায় রেশ থেকে যাবে। সেই ভাবনা থেকে এ গ্রীষ্মের কিছু সেরা নতুন বই বেছে নিয়েছেন সমালোচকেরা। তালিকায় আছে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ, পারিবারিক গল্প, জলবায়ু সংকট নিয়ে উপন্যাস ও থ্রিলার।



সম্প্রতি এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাজুস। সেখাতে তারা বলে, ভ্যাট নিবন্ধিত আট হাজার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ভ্যাট দেয় মাত্র দেড় হাজার কোটি টাকা।

আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এই দাবি জানান আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাবের নেতারা।

বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পের যে ধারা, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন থেকে কামরুল হাসান পর্যন্ত, সেটা মূলত ‘মানুষীয়’ ধারা। দুর্ভিক্ষের মানুষ, মুক্তিযুদ্ধের মানুষ, মাটির মানুষ। এই ধারায় ছবি একটা সাক্ষ্য দেয়; ঘটনার, সময়ের, যন্ত্রণার। কিবরিয়া এই ধারার বাইরে। তবে বিপরীতে নন, অন্য কোথাও। তিনি সাক্ষ্য দেন না, তিনি একটা অবস্থা তৈরি করেন। পার্থক্যটা সূক্ষ্ম কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ।


পারভেজ হোসেনের সুবর্ণপুরাণ একটি ইতিহাস–আশ্রিত উপন্যাস। এই উপন্যাসের সময় ১৫৯৯ থেকে ১৬১০। আসলে এই সময়ের পুরোটাও নয়। উপন্যাসের উল্লেখ-ইশারা দেখে মনে হয়, ১৬১০ সালের আগের বছর কয়েক এই উপন্যাসের সময়। এই অল্প সময় পরিসরে পারভেজ হোসেন একটা উপন্যাস জমিয়ে তুলতে চেয়েছেন। তিনি ‘মহিমামণ্ডিত ইতিহাস’ ও ‘ঐতিহাসিক চরিত্রের’ সঙ্গে নিজের উপন্যাসকে যুক্ত করে ফাঁপা গৌরবের অংশীদার হতে চাননি।

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সাভারে স্থানান্তরের পরে ট্যানারিগুলোকে যে ধরনের অবকাঠামো ও নীতিসহায়তা দেওয়া দরকার ছিল, সেটি খুব একটা হয়নি।

রাস্তা পার হতে গেলে কারা যেন তাকে থামিয়ে দেয়। তার পরপরই একপশলা ধুলো উড়িয়ে মোটরগাড়ি শাঁ করে বেরিয়ে যায়। ঠান্ডুর সারা মুখে ধুলার প্রলেপ পড়ে। ছোটবেলায় বড় রাস্তা দিয়ে ট্রাক চলে গেলে তার উড়িয়ে দেওয়া সাদা ধুলো মাখার জন্য ঠান্ডু আর তার বন্ধুরা সেই ধুলোর মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়ত। কী সুন্দর সে ধুলোর গন্ধ! পাউডার কোন ছার! আজও ধুলোর পাউডার মেখে ঠান্ডু দাঁড়িয়ে থাকে। কিন্তু এই ধুলোর গন্ধে সে ছেলেবেলায় ফিরে যায় না, তার মাথা ঘুরে ওঠে, হাত থেকে জুতা জোড়া ফসকে যায়।