
নৌযানে মার্কিন হামলায় নিহত ১৩ জন শনাক্ত, ‘তারাও রক্তমাংসের মানুষ’
ক্যারিবীয় ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মাদক পাচারকারী সন্দেহে নৌযানে মার্কিন হামলায় নিহত।

ক্যারিবীয় ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মাদক পাচারকারী সন্দেহে নৌযানে মার্কিন হামলায় নিহত।

বেইজিংয়ে সি চিন পিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকে প্রাচীন গ্রিসের পেলোপনেশিয়ান যুদ্ধ ও থুসিডাইডিসের ফাঁদ নিয়ে আলোচনা হয়।

বেইজিং বৈঠকে সি চিন পিং ট্রাম্পকে ‘থুসিডাইডিস ফাঁদ’ নিয়ে সতর্ক করেন, যা উদীয়মান ও প্রতিষ্ঠিত শক্তির মধ্যে যুদ্ধের ঝুঁকি নির্দেশ করে। তাইওয়ান ইস্যুতে কঠোর অবস্থান জানিয়ে তিনি সংঘাতের আশঙ্কা তুলে ধরেন। ট্রাম্প সামাজিকমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তির কথা বলেন।

সৌদি আরব ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জন্য আগ্রাসনবিরোধী চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে, যা ১৯৭৫-এর হেলসিংকি অ্যাকর্ডসের আদলে তৈরি। ইউরোপীয় দেশগুলোর সমর্থন পেলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবস্থান অস্পষ্ট। উপসাগরীয় অঞ্চলে বিভক্ততা ও স্থবির শান্তি আলোচনার মধ্যে এই উদ্যোগ এসেছে।

সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প ইরান নিয়ে ধৈর্য হারানোর কথা বলেছেন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি খোলা রাখার বিষয়ে দুই নেতা একমত। এদিকে প্রণালিতে জাহাজ আক্রমণের ঘটনায় উত্তেজনা বাড়ছে।

সি চিন পিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকে ইরান, তাইওয়ান ও বাণিজ্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, দুই দেশের ‘অনেক ভিন্ন ভিন্ন সমস্যার’ সমাধান করা হয়েছে। তবে সংবেদনশীল ইস্যুগুলোতে সুনির্দিষ্ট চুক্তি হয়নি।

জ্বালানি মজুত ফুরিয়ে যাওয়া এবং ট্রাম্পের অবরোধের মধ্যে সিআইএ প্রধান জন র্যাটক্লিফ কিউবা সফর করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র-কিউবা সম্পর্ক সংকটময় হলেও দুই পক্ষের গোয়েন্দা ও কূটনৈতিক আলোচনা চলছে। বিদ্যুৎ সংকটে কিউবায় বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স নিউজকে সাক্ষাৎকারে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং-এর প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, হলিউড সি-এর চরিত্রের জন্য তার মতো কাউকে খুঁজে পাবে না। চীন হরমুজ প্রণালী খোলা রাখতে চায় এবং বোয়িং জাহাজ, তেল কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

এই ব্যবসায়ীরা সম্ভবত বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা ও ব্যবসায়িক চুক্তি সইয়ের চেষ্টা করবেন। শেষ মুহূর্তে সফরে যোগ দিয়েছেন এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াং।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকা ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতি নিয়ে বারবার ধাক্কা খাচ্ছে। কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও হুমকি সত্ত্বেও ইরান আত্মসমর্পণ করছে না, বরং প্রতিরোধ জোরদার করছে। এই কৌশল যুদ্ধের ঝুঁকি বাড়িয়ে দীর্ঘ বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র যখন যুদ্ধে ব্যস্ত, সি তখন শান্তির ডাক দিচ্ছেন। উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইউরোপের বিদেশি গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন, যাঁরা এই সংকট অবসানে তাঁর সহযোগিতা চাচ্ছেন।

ইরানের সঙ্গে ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির পক্ষে সাফাই দিয়েছেন বারাক ওবামা। তিনি বলেছেন, চুক্তির ফলে কোনো যুদ্ধ ছাড়াই ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ৯৭ শতাংশ সরানো সম্ভব হয়েছিল। সিবিএস-এর সাক্ষাৎকারে এই মতামত জানিয়েছেন তিনি।