ঝিনাইদহে পারিবারিক বিরোধের সালিসকে কেন্দ্র করে পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা দাবির অভিযোগে যুবদল নেতাকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে জেলা যুবদল। গতকাল বৃহস্পতিবার জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক মশিউর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার অভিযোগে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দলীয় সব পদপদবি থেকে তাঁকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
আতিয়ার রহমান ঝিনাইদহ সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
জানা গেছে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মধুহাটি ইউনিয়নের বাজারগোপালপুর গ্রামের এক নারীর বিয়ে হয় ফরিদপুর জেলার বোয়ালিয়া শহরে। ওই নারীর স্বামী পূর্ণয় সাহার দাবি, স্ত্রী তাঁর বাড়ি থেকে কয়েক ভরি স্বর্ণ নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে এসেছেন। স্ত্রীকে ফিরে পেতে পূর্ণয় সাহা স্থানীয় কয়েকজন শরণাপন্ন হন। সুযোগ কাজে লাগিয়ে যুবদল নেতা আতিয়ার ওই স্বর্ণ ও তাঁর স্ত্রীকে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে পূর্ণয় সাহার কাছে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন। পূর্ণয়ের সঙ্গে আতিয়ারের মুঠোফোনের একটি কথোপকথনের অডিও ক্লিপ সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই জেলা যুবদল আতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছে।
পূর্ণয় সাহা বলেন, ‘আমি প্রথমে আতিয়ার রহমানকে দুই হাজার টাকা দিয়েছিলাম। পরে জানতে পারি, তিনি এলাকায় সালিসের নাম করে এভাবে টাকা হাতিয়ে নেন। আমি তাঁকে পাঁচ লাখ টাকা না দেওয়ায় তিনি আমাকে মোবাইলে হুমকিও দিয়ে যাচ্ছেন।’
এ বিষয়ে আতিয়ার রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে ঝিনাইদহ জেলা যুবদলের সভাপতি আহসান হাবিব বলেন, আতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে সালিসকে কেন্দ্র করে একটি পরিবারের কাছে টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযোগটি তদন্তাধীন। সত্য প্রমাণিত হলে তাঁকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে।






