সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। গতকাল বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
মন্ত্রণালয়ের উপসচিব গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৩-এর ধারা ৮ (১) অনুযায়ী রেজাউল হাসান লোদীকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে ১ বছর মেয়াদে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (গ্রেড-২) পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি হওয়া এ প্রজ্ঞাপনে নিয়োগের অন্য শর্তগুলো চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
সিউকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পাওয়া রেজাউল হাসান কয়েস লোদী সিলেট সিটি করপোরেশনের চারবারের সাবেক কাউন্সিলর ও সাবেক প্যানেল মেয়র। মহানগর বিএনপিতে সাবেক আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক, সহসভাপতি, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ নানা দায়িত্বে ছিলেন। একজন ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও তিনি সুপরিচিত। সর্বশেষ ২০২৩ সালের ২১ জুন অনুষ্ঠিত সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তকে মেনে অংশ নেননি।
গতকাল রাত সাড়ে ১১টার দিকে রেজাউল হাসান কয়েস লোদী মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘আমাকে গুরুত্বপূর্ণ এ পদে নিয়োগ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানাই। সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার পর চারবার আমি নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রতিবার কাউন্সিলর হয়েছি। জনগণের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক। এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা সব সময় থাকবে।’
এর আগে ২০২২ সালের ২২ আগস্ট মন্ত্রিসভা ‘সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২২’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয়। পরে ২০২৩ সালের ২৬ অক্টোবর জাতীয় সংসদে পাস হয় ‘সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৩’। তবে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠিত হলেও বাস্তবে এটি এখনো কাজ শুরু করতে পারেনি। সিউক গঠনের আড়াই বছর পর গতকাল প্রথমবারের মতো কাউকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।






