
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির নানা দিক এখনো খতিয়ে দেখছে ইরান
যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি সইের দিনক্ষণ নিয়ে গতকাল শনিবার থেকে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের খবর

যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি সইের দিনক্ষণ নিয়ে গতকাল শনিবার থেকে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

যুদ্ধ বন্ধে তেহরান-ওয়াশিংটন একটি সমঝোতা চুক্তির আলোচনা যখন চলছে, তখন তার বিরোধিতা করে বিক্ষোভ হয়েছে ইরানে। কট্টরপন্থিদের এই বিক্ষোভ থেকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির বিরুদ্ধে স্লোগানও ওঠে।

রুবিও ও জয়শঙ্কর হরমুজ প্রণালির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহতে প্রদর্শিত হচ্ছে ৫০ লাখ দিরহাম মূল্যের সোনার পোশাক।

মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানও ভার্চ্যুয়ালি এ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সম্ভাব্য স্থল অভিযানের পরিকল্পনার বিষয়ে মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের মুখপাত্র কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

রামাফোসা চান, কেলেঙ্কারি–সংক্রান্ত অসদাচরণের বিষয়ে একটি স্বাধীন প্যানেলের দেওয়া পর্যবেক্ষণ বাতিলের জন্য তিনি যে পৃথক আবেদন করেছেন, সে বিষয়ে উচ্চ আদালত আগে সিদ্ধান্ত দিক।

সাধারণত বৈশ্বিক সংকট ও যুদ্ধের সময় সোনার দাম বাড়ে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের পর উল্টো দাম কমছে। এর পেছনের কারণ জেনে নেওয়া যাক।

ইরানের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি বিলুপ্ত করা সম্ভব হবে বলেও আশা মার্কিন কর্মকর্তার

বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনা।

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তথ্য সম্পর্কে অবগত পাঁচটি সূত্র এমন বলেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘চুক্তিটি সই হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সবার জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে।’