
দুঃসময়ে পঠিত নবীজির দোয়া
কখনো এমন পরিস্থিতি আসে যখন মানুষের সাধ্যে কিছুই থাকে না—তখন দোয়া-ই হয় আমাদের বড় আশ্রয়। আল্লাহর কাছে কাকুতি-মিনতি করা ছাড়া উপায় থাকে না।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর

কখনো এমন পরিস্থিতি আসে যখন মানুষের সাধ্যে কিছুই থাকে না—তখন দোয়া-ই হয় আমাদের বড় আশ্রয়। আল্লাহর কাছে কাকুতি-মিনতি করা ছাড়া উপায় থাকে না।

আমাদের কাজ হলো, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা এবং যখনই মন অস্থির হবে, নিজেকে মনে করিয়ে দেওয়া, ‘আমি তো এখানে স্থায়ী নই, আমি তো কেবলই একজন মুসাফির।’

খ্রিষ্টধর্মাবলম্বী ও ধর্মগ্রন্থে পারদর্শী ওয়ারাকা পুরো ঘটনা শুনে নিশ্চিত করেন, এ সেই ফেরেশতা, যিনি মুসা (আ.)–এর কাছে ওহি নিয়ে এসেছিলেন।

মুসলিম পরিবারের জন্য সন্তানের বিচ্যুতি বড় কষ্টের। তবে একজন বাবা যখন নিজের অহংকার বিসর্জন দিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ধৈর্য ধরেন, তখন তিনি আরও বেশি সম্মানিত হন।

সাধারণত পৌষ মাসের শেষ দিনে এই উৎসব তিথিটি পালিত হয়। ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যে বা অঞ্চলে যদিও এর ভিন্ন ভিন্ন পরিচিতি, যেমন তামিলনাড়ুতে একে পোঙ্গল বলে।

আমাদের মসজিদগুলো কি কিশোর ও তরুণদের জন্য যথেষ্ট বন্ধুত্বপূর্ণ? তারা কি মসজিদে আসতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে, নাকি সেখানে বড়দের ‘চুপচাপ থাকার’ নির্দেশ তাদের নিরুৎসাহিত করছে?

নবীজি (সা.)-এর যুগে মারওয়ায় কোরবানি হতো না; বরং মিনায় কোরবানি হতো, যা মক্কা থেকে তিন মাইল দূরত্বে অবস্থিত। তথাপি তিনি মারওয়াকে কোরবানির স্থান বলেছেন।

দাম্পত্য জীবনে ভাঙন কেবল বড় কোনো অনৈতিক কাজের কারণেই ঘটে না, বরং দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট কিছু আচরণ ধীরে ধীরে বিচ্ছেদের পথ প্রশস্ত করে।

খুব বড় কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। ছোট ছোট কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপই আমাদের পরিবার, সমাজ ও প্রতিবেশের মধ্যে আমূল পরিবর্তন আনতে পারে।

আমাদের একটি কথা যেমন কারও মুখে হাসি ফোটাতে পারে বা শান্তি আনতে পারে, তেমনি একটি কটু কথা ধ্বংস করে দিতে পারে বহু বছরের পুরোনো সম্পর্ক।

ককেশাস অঞ্চলের মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে মস্কোর বর্তমান যে সামরিক সমীকরণ, যার প্রতিচ্ছবি আমরা ইউক্রেন যুদ্ধে চেচেন যোদ্ধাদের অংশগ্রহণ থেকে দেখতে পাই, তার বীজ আছে ইতিহাসে।

চরম মানসিক ও শারীরিক বিপর্যয়ের মুহূর্তে আল্লাহ নবীজিকে আকাশভ্রমণে আপ্যায়িত করার সিদ্ধান্ত নেন। জমিনে প্রত্যাখ্যাত হয়ে আসমানের পক্ষ থেকে এ এক বিশেষ সংবর্ধনা।