
আন্দালুস বিজয় ও মসজিদে নববীতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা
৯১ হিজরির পহেলা রমজানে একটি ছোট এবং সতর্ক সামরিক অভিযানের মাধ্যমে যে পথচলা শুরু হয়েছিল, তা পরবর্তী ৮০০ বছর ইউরোপের বুকে মুসলিম সভ্যতার বাতিঘর হয়।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর

৯১ হিজরির পহেলা রমজানে একটি ছোট এবং সতর্ক সামরিক অভিযানের মাধ্যমে যে পথচলা শুরু হয়েছিল, তা পরবর্তী ৮০০ বছর ইউরোপের বুকে মুসলিম সভ্যতার বাতিঘর হয়।

মানবজাতিকে যে জ্ঞানামৃত বিতরণ করে গেছেন তার জন্য কখনো বাইরে কোথাও যাননি তিনি, বরং যারা তাঁর কাছে এসে উপদেশ গ্রহণ করবেন, তাদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

অন্যদিকে পবিত্র রমজান মাসে দেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতি অনুসরণ করে খতমে তারাবিহ নামাজ আদায়ের অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

পুরো মাস রমজানের রোজা রেখে আল্লাহর প্রিয় বান্দাগণ তাঁর আরও প্রিয় হয়ে ওঠেন। বরকতের নদী উপচে পরে মহান বান্দার ওপর। তাদের জন্য রয়েছে বিশেষ পুরস্কার।

তাদের বিশ্বাস, আগন্তুকদের খাওয়ালে সেই বরকত বহুগুণ বেড়ে যায়। এমনকি যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিস্থিতির কারণে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি থাকলেও এই আতিথেয়তায় বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি।

রমজানের ইবাদতের আরও একটি গভীর ও নীরব দিক আছে। সেটি হলো— যা আমরা করি, তা দিয়ে নয়; বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যা আমরা ‘করি না’ বা বর্জন করি।

পিতার ব্যবসার সূত্র ধরে প্রথম জীবনে কাপড়ের ব্যবসায় নিযুক্ত ছিলেন। কিন্তু তাঁর মেধা দেখে প্রখ্যাত তাবেয়ি ইমাম আমের শাবি (রহ.) তাঁকে ইলম বা ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের পরামর্শ দেন।

ইমাম ইবনে রজব তাঁর কিতাবটি শেষ করেছেন তওবার আলোচনার মাধ্যমে। তিনি একে অভিহিত করেছেন ‘জীবনের সব সময়ের আমল’ হিসেবে। মানুষ তওবার মাধ্যমে আমলনামা পরিচ্ছন্ন করে।

একজন ধর্ম প্রচারকের দাওয়াতের ভাষা কেমন হওয়া উচিত এবং মানুষের প্রতি তাঁর মমত্ববোধের গভীরতা কতটুকু হওয়া প্রয়োজন, এই বাক্যটি তার এক অনন্য মাইলফলক।

সাইদ ইবনে জুবাইরের শাহাদাতের পর হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। তিনি ঘুমাতে গেলেই স্বপ্নে সাইদকে দেখতেন এবং চিৎকার করে উঠতেন।

বেপরোয়া গাড়ি চালানো বা নেশাদ্রব্য গ্রহণের মাধ্যমে নিজের শরীরকে ঝুঁকির মুখে ফেলা এই আমানতের খেয়ানত। সুষম খাদ্যের মাধ্যমে শরীরকে রোগমুক্ত রাখা আমানতদারির অংশ।

বলা হয়, “দুনিয়ার জন্য এমনভাবে কাজ করো যেন তুমি চিরকাল বাঁচবে, আর আখেরাতের জন্য এমনভাবে কাজ করো যেন তুমি আগামীকালই মারা যাবে।”