
তাবুক থেকে জেদ্দা: এক নজরে সৌদির রাজকীয় ইফতার
সৌদি আরবে ইফতার শুরু হয় সাদামাটাভাবে, যাকে স্থানীয়রা বলেন ‘ফকুক আল-রিক’ বা রোজা ভাঙার মুহূর্ত। এক গ্লাস পানি, মদিনার আজওয়া খেজুর আর এক কাপ ‘গাহওয়া’।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর

সৌদি আরবে ইফতার শুরু হয় সাদামাটাভাবে, যাকে স্থানীয়রা বলেন ‘ফকুক আল-রিক’ বা রোজা ভাঙার মুহূর্ত। এক গ্লাস পানি, মদিনার আজওয়া খেজুর আর এক কাপ ‘গাহওয়া’।

একটি যুদ্ধের মাধ্যমেই স্পেনে আটশ বছরের মুসলিম শাসনের ভিত্তি স্থাপিত হয়, যা ইউরোপকে অন্ধকার যুগ থেকে বের করে আধুনিক বিজ্ঞান ও দর্শনের আলো দেখায়।

যে রোজা রাখে, অন্য কারও তা জানার সুযোগ নেই। কেউ যদি সাহ্রি ও ইফতার করে মাঝখানে গোপনে কিছু খেয়ে ফেলে, তবে মানুষ তা বুঝতে পারবে না।

ভারতের কোনো কোনো অঞ্চলের প্রাচীন রীতি—লবণ দিয়ে ইফতার করা। তারা বিশ্বাস করেন, দীর্ঘ উপবাসের পর লবণ মুখে দিয়ে রোজা ভাঙা শরীরের জন্য উপকারী।

সারাদিনে যে পরিমাণ ক্যালরি সাশ্রয় হয়েছিল, ইফতার ও রাতের খাবারে তার চেয়ে বেশি ক্যালরি গ্রহণ করা হয়। এতে ওজনের কোনো গুণগত পরিবর্তন ঘটে না।

২৪ হিজরিতে খলিফা ওসমান (রা.)-এর আমলে বছরে দুবার কাবা শরিফের গিলাফ পরিবর্তনের রীতি শুরু হয়, যার একটি ছিল রমজানের ২৭ তারিখে।

এই ভালোবাসা কখনো প্রকাশ পেয়েছে মমতাময় আচরণে, কখনো স্নেহমাখা কথায়, আবার কখনো তাঁর প্রতি বিশেষ যত্ন ও গুরুত্ব প্রদানের মাধ্যমে।

কামানের গোলা ছোঁড়ার পর যখন শহরের শত শত মসজিদের মিনারে সাদা বাতি জ্বলে ওঠে, তখন সারায়েভোকে মনে হয় পাহাড়ের কোলে জমানো একরাশ জোনাকি।

গবেষণায় দেখা গেছে, রমজানের ২৯ দিন রোজা রাখার ফলে বিপাকীয় সিনড্রোমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের রক্তে প্রদাহের সংকেত কমে গেছে এবং কোষ সুরক্ষা প্রদানকারী প্রোটিনের মাত্রা বেড়েছে।

পবিত্র রমজান মাসে দেশের অনেক মসজিদে তারাবিহর নামাজে কোরআন খতম দেওয়া হয়। আজ পবিত্র শবে কদরে মসজিদগুলোতে খতমে তারাবিহ শেষ হবে।

এই দিনে নবীজির (সা.) নেতৃত্বে পরিচালিত দীর্ঘ ও কঠিনতম এক অভিযানের সফল সমাপ্তি ঘটে এবং মুসলিম বিশ্বের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু কায়রো থেকে ইস্তাম্বুলে স্থানান্তরিত হয়।

নিয়মিত একটি নির্দিষ্ট মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়া বা নামাজের পর কুশল বিনিময় করা ‘কেউ নেই’ অনুভূতিটিকে ‘কেউ না কেউ চেনে’—এই স্বস্তিতে রূপ দেয়।