
কোরআন যেভাবে জীবনের সফলতার পথ দেখায়
পৃথিবীতে মানুষের আগমনই ঘটে সফলতার সন্ধানে। কোরআনের দৃষ্টিতে এই সফলতা কেবল বৈষয়িক প্রাপ্তি নয়, বরং এটি একটি সুসংহত ও দ্বিমুখী প্রক্রিয়া।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর

পৃথিবীতে মানুষের আগমনই ঘটে সফলতার সন্ধানে। কোরআনের দৃষ্টিতে এই সফলতা কেবল বৈষয়িক প্রাপ্তি নয়, বরং এটি একটি সুসংহত ও দ্বিমুখী প্রক্রিয়া।

হিজরি নবম বছরে তায়েফের সাকিফ গোত্রের প্রতিনিধিদল মদিনায় এসে ইসলাম গ্রহণ করে। নবীজি (সা.)-এর প্রজ্ঞাময় আতিথেয়তা, ধৈর্যশীল আলোচনা ও নমনীয়তার মাধ্যমে এই ঘটনা ঘটে। এটি দাওয়াতের সঠিক পদ্ধতির শিক্ষা দেয়।

ইবরাহিম (আ.)-এর হিজরত এবং আল্লাহর ‘নিশ্চয়ই আমার জমিন প্রশস্ত’ আয়াতের আলোকে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও উৎপীড়নময় পরিবেশ থেকে সরে আসার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। কোরআনের আয়াত, ইমাম ফখরুদ্দিন রাজি, ইমাম বাগভি এবং তাবেয়িদের ব্যাখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে। মুমিনদের জন্য আল্লাহর প্রশস্ত জমিনে ইবাদতের আহ্বান জানানো হয়েছে।

কেয়ামতের আগে পৃথিবীতে ঘটবে ইমাম মাহদি, দাজ্জাল, হজরত ঈসা (আ.)-এর অবতরণসহ বড় আলামত। ইসলামি গ্রন্থে বর্ণিত এই চিহ্নগুলো মুমিনদের সচেতন করে তোলে পরকালের প্রস্তুতির জন্য। ছোট আলামতগুলো ইতিমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে বলে মনে করা হয়।

মহানবী (সা.) বলেছেন, প্রতিটি ভালো কাজই সদকা। ধনী-দরিদ্র সবার জন্য দৈনন্দিন কাজগুলো পুণ্যের পথ খুলে দিয়েছে। হাদিসের আলোকে সদকার বিস্তৃত রূপ তুলে ধরা হয়েছে।

ওহি নাজিলের সময় নবীজি (সা.) কঠোর পরীক্ষার মুখোমুখি হতেন, শীতকালেও তাঁর কপালে ঘাম জমত। ২৩ বছর ধরে ক্রমান্বয়ে অবতীর্ণ কুরআনের এই রহস্য ও তাৎপর্য বোঝায় নবীর উম্মিতা এবং মুজাজার কথা।

ইবনুল জাওজি ছিলেন তাঁর যুগের প্রখ্যাত ওয়ায়েজ ও লেখক, যাঁর মজলিশে হাজারো মানুষ ইসলাম গ্রহণ করত। তাঁর জীবনে ছিল একের পর এক মর্মান্তিক পরীক্ষা, যেমন বন্যায় লাইব্রেরি ধ্বংস, সন্তান শোক ও নির্বাসন। তাঁর গ্রন্থ <em>সাইদুল খাতির</em>-এ বিপদ মোকাবিলায় ধৈর্যের অনন্য নীতি তুলে ধরেছেন।

বজ্রপাতের প্রচণ্ড শব্দ আমাদের মনে করিয়ে দেয় প্রাচীন ইতিহাসের সেই সব জাতির কথা, যারা অবাধ্যতার কারণে আকাশ থেকে আসা এক মহাগর্জনের মাধ্যমে ধ্বংস হয়েছে।

ইসলামে নিরাপত্তা বা আমানকে অমূল্য নেয়ামত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এই নিরাপদ জীবন যাপনের জন্য পাঁচটি মূল নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ন্যায়বিচার ও ঐক্যের মাধ্যমে এই নেয়ামত সংরক্ষণ সম্ভব।

শরীয় কারণে রমজানে রোজা ভাঙলে কাজা বাধ্যতামূলক, কিন্তু বিলম্বের বিধান কী? হানাফি মতে কেবল কাজাই যথেষ্ট, অন্যান্য মতে ফিদইয়াও দিতে হয়। দুর্বল বা বয়স্কদের জন্য ফিদইয়ার সুবিধা রয়েছে।

সমাজে একে অপরের প্রশংসা করা একটি সাধারণ সৌজন্য। তবে এই প্রশংসা যখন অতিশয়োক্তিতে রূপ নেয়, তখন তা প্রশংসিত ব্যক্তির জন্য কল্যাণের চেয়ে অকল্যাণই বেশি আনে।

মক্কা শরীফের ইতিহাসে নির্বাসন, বিদ্রোহ, বাণিজ্য ও রূপান্তরের অধ্যায় রয়েছে। জুরহুম থেকে কোরাইশ, জমজম কূপ, হিলফুল ফুজুল, হারামের নিরাপত্তা সহ অজানা ১০টি তথ্য এখানে। ইতিহাসের এই পাতাগুলো ধর্মীয় ও সামাজিক দৃষ্টান্ত বহন করে।