
অক্ষয় তৃতীয়া: অনন্তের বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার
অনেকে মনে করেন, এই দিনেই মহাভারত রচনার সূচনা হয়েছিল—ঋষি ব্যাস মুখে মুখে কাব্যটি উচ্চারণ করেন এবং গণেশ তা লিখে রাখেন।
ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিষয়ের খবর

অনেকে মনে করেন, এই দিনেই মহাভারত রচনার সূচনা হয়েছিল—ঋষি ব্যাস মুখে মুখে কাব্যটি উচ্চারণ করেন এবং গণেশ তা লিখে রাখেন।

হাতিব (রা.) ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, দক্ষ তীরন্দাজ ও দক্ষ ঘোড়সওয়ার। একই সঙ্গে তাঁর ভাষাজ্ঞান ছিল ঈর্ষণীয়।

কাতারের আওকাফ মন্ত্রণালয় থেকে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে, যা ইতোমধ্যে হয়ে উঠেছে সিরাত সাহিত্যের অনিবার্য পাঠ। বিশুদ্ধ বর্ণনার বাইরে এতে কিছুই স্থান দেওয়া হয় নি।

নবুয়তপ্রাপ্তির আগে নবীজির পবিত্র চরিত্র, সততা ও জাহেলি যুগের মূর্তিপূজাসহ যাবতীয় পাপাচার থেকে দূরে থাকার গুণাবলি তাঁর সন্তানদের গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল।

একদিন রাস্তায়, সূর্যের তাপে পাথরগুলো গরম হয়ে উঠেছে। তিনি সেজদায়। ঠিক তখনই শত্রুরা তার ওপর ফেলে দিল উটের পচা নাড়িভুঁড়ি। পৃথিবীটা যেন একটু থেমে গেল।

একজন মুমিনের প্রতিটি কথা হওয়া উচিত চিন্তাশীল, সংযত ও কল্যাণমুখী—যেখানে সত্য, প্রজ্ঞা ও নৈতিকতার অপূর্ব সমন্বয় থাকে।

অটল ও কঠিন পাহাড় যদি আল্লাহর কালামের ভয়ে প্রকম্পিত হতে পারে, তবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষের হৃদয় কেন বিগলিত হবে না?

প্রাণী অধিকারের মূল চাবিকাঠি হলো নিঃশর্ত দয়া, এবং কিছু বিশেষ প্রাণীর ক্ষেত্রে মর্যাদা। ইসলাম মানুষের জীবনে কিছু প্রাণীর গুরুত্বের দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে।

সাহাবিদের বক্তব্যের কথা যখন বলা হয়, তখন মূলত তাঁদের ‘ইজমা’কে বোঝানো হয়। যদি কোনো বিষয়ে সাহাবিরা একমত হন, তবে সেই ব্যাখ্যা গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।

নবীজির ইন্তেকালের পর মদিনাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। সাহাবিরা ধীরে ধীরে সেই শোক কাটিয়ে উঠলেও ইয়াফুরের শোক বুঝি কাটছিল না।

ফাতেমার সুখ্যাতি তুর্কিস্তানে ছড়িয়ে পড়লে তৎকালীন অনেক রাজা–রাজন্য এবং নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ফাতেমার পাণিপ্রার্থী হয়ে দূত পাঠান। কিন্তু পিতা সমরকন্দি সবিনয়ে সবার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন।

কেন কিছু মানুষের মধ্যে এই ধারণা তৈরি হলো যে ইসলাম ছাড়া অন্য কিছুকে দীন বলা যাবে না? এর পেছনে মূলত তিনটি প্রধান কারণ কাজ করে।