
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের ঝুঁকিগুলো কী
শাস্তিমূলক আইন যদি দ্রুত প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়, কিন্তু বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও জবাবদিহিমূলক কাঠামো দুর্বল থাকে, তাহলে আইন নিজেই নিরপেক্ষতা হারিয়ে রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।
মতামত ও বিশ্লেষণ

শাস্তিমূলক আইন যদি দ্রুত প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়, কিন্তু বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও জবাবদিহিমূলক কাঠামো দুর্বল থাকে, তাহলে আইন নিজেই নিরপেক্ষতা হারিয়ে রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ৪০ দিনের যুদ্ধ দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে আপাতত থেমেছে। এটি বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক স্বস্তি এনেছে, তবে স্থায়ী শান্তি ও কূটনৈতিক সমাধানই প্রধান প্রত্যাশা। বাংলাদেশও এর প্রভাবে সংকটের মুখ দেখেছে।

পাবনার বেড়া উপজেলার যমুনা চরে ২০১৩ সালে দেওয়া নৌ অ্যাম্বুলেন্স একদিনও ব্যবহার হয়নি, এখন সম্পূর্ণ নষ্ট। চরবাসী, বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা নারীরা জরুরি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রশাসনের অবহেলায় সরকারি সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ৪ মে জানা যাবে। বিজেপি কি তৃণমূলকে হারাবে? এর প্রভাব বাংলাদেশের সীমান্ত, সংখ্যালঘু ও রাজনৈতিক সম্পর্কের ওপর পড়তে পারে। শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য ও ভোটার তালিকা বিতর্ক নিয়ে বিশ্লেষণ।

গণতন্ত্রের ইতিহাসে আইনের শাসনের লড়াই থেকে বাংলাদেশের ২০২৬ গণভোটের জুলাই সনদ পর্যন্ত—জনগণের ম্যান্ডেটকে উপেক্ষা কি ক্ষমতার পুরানো অসুখ ফিরিয়ে আনছে? লেখায় সংস্কারের বাস্তবায়ন নিয়ে বর্তমান সরকারের পদক্ষেপের সমালোচনা করা হয়েছে। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে গণরায় রক্ষার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয় বাদে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মিশ্র ক্লাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু প্রান্তিক অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের অনলাইন সুবিধার অভাবে এতে ক্ষতি হবে। লেখক বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছেন।

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বিপজ্জনক চেহারা নিয়েছে, সাড়ে আট হাজারের বেশি শিশু হাসপাতালে ভর্তি এবং ১১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। টিকা কর্মসূচির গাফিলতি, ভিটামিন ‘এ’র ঘাটতি এবং অপুষ্টি এর প্রধান কারণ। বিগত সরকারগুলোর অবহেলা এবং অগ্রাধিকারহীনতা পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে।

সংস্কার প্রক্রিয়া ধীরগতির এবং পরিকল্পিত হওয়া উচিত। বিএনপির অবস্থান, অধ্যাদেশ বিতর্ক ও গুম-দুর্নীতির মতো সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে। জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য পরিষ্কার কর্মপরিকল্পনা দরকার।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক ভারসাম্য ভেঙেছে। হরমুজ প্রণালির আশপাশের দেশগুলো এখন ‘কংগ্রেস ফর হরমুজ’ উদ্যোগ নিয়ে সবার মুখ রক্ষা করতে পারে। এতে যুদ্ধ থেকে বের হওয়া এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

১৯৭০–এর দশকের জ্বালানির সংকট ছিল মূলত তেলের সংকট। ১৯৭৩ সালে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মিসর ও সিরিয়ার ইয়োম কুপ্পির যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর নির্ভরতা কমানোর তাগিদ অনুভব করে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি মেনে নিয়েছে, যার পিছনে পাকিস্তানের অবিরাম মধ্যস্থতা গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামাবাদের কূটনৈতিক উদ্যোগ কীভাবে এই অগ্রগতি এনেছে, তা বিশ্লেষণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এটি পাকিস্তানের বড় কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন, শর্তসাপেক্ষে হরমুজ প্রণালী খোলার। কিন্তু বিশ্বাসের অভাবে এটি টিকবে কি না সন্দেহজনক। সংঘাতের মূল কারণগুলো এখনো অমীমাংসিত।