
ইসরায়েল ও সোমালিল্যান্ডের এই ‘মধুর সম্পর্ক’ কেন
গত বছরের শেষের দিকে ইসরায়েল সোমালিল্যান্ডকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর পরপরই সোমালিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এর তীব্র নিন্দা জানানো হয়।
মতামত ও বিশ্লেষণ

গত বছরের শেষের দিকে ইসরায়েল সোমালিল্যান্ডকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর পরপরই সোমালিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এর তীব্র নিন্দা জানানো হয়।

২০২৬ সালের বিক্ষোভ কয়েকটি কারণে আলাদা গুরুত্ব বহন করে। এই আন্দোলন শুরু হয় এমন এক সময়ে, যখন আঞ্চলিক পর্যায়ে ইরান বড় ধরনের কৌশলগত চাপের মুখে ছিল।

জনপরিসরে যখন যুক্তিনির্ভর বিতর্ক ও সহনশীলতার চর্চা হওয়ার কথা, তা প্রায়ই ক্ষমতাশীলদের নিয়ন্ত্রণের পরিসরে রূপ নিচ্ছে, যা গণতন্ত্রের জন্য একটি গভীর সংকটের পূর্বাভাস।

বাঙালি মনন বৈচিত্র্যসূচক। এ চিন্তার পার্থক্য নিয়ে বাঙালি রক্তে সংকর, চেতনায় যৌগিক। শতধারা চিন্তা তার রক্তে মিশে আছে।

সরকারের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুনঃপ্রতিষ্ঠায়। গত ১৬ মাসেও মব–সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে।

নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণে কোনো দল যদি মনে করে জয় তাদের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে, সেটাও আত্মঘাতী হতে পারে।

সড়ক দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে এখন বড় আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে তিন চাকার অবৈধ যান, অটোরিকশা ও নছিমন-ভটভটির দাপট। শিশুদের পথচারী হিসেবে মৃত্যুর পেছনে এসব ছোট ও অনিয়ন্ত্রিত যানবাহনের দায় সবচেয়ে বেশি।

প্রশ্ন হলো, কেন একটি চক্র দিনের পর দিন মানুষের জীবন নিয়ে এমন নিষ্ঠুর খেলা চালিয়ে যেতে পারছে।

গত এক সপ্তাহে এমন কিছু উদ্ভট বামপন্থীকে খুঁজে পাওয়া কঠিন ছিল না, যারা ইরানের প্রতিবাদকারীদের সাম্রাজ্যবাদের অসহায় হাতিয়ার বলে আখ্যা দেয়। এদের কেউ কেউ আবার নিকোলা মাদুরো যে স্বৈরশাসক, সেটা স্বীকার করতে চায় না। তারা খামেনি বা মাদুরোর প্রশংসা না করলেও তাদের শাসনব্যবস্থার পতনও চায় না।

ইরান এখন যে পথে হাঁটছে, সেই পথে এর আগেও অনেকবার হেঁটেছে দেশটি। প্রায় ৪০ বছর ধরে দেশটির রাজপথগুলো মানুষের ক্ষোভ, আর্তচিৎকার আর হঠাৎ নেমে আসা নীরবতার সাক্ষী হয়ে আছে। এখানকার নাগরিকদের কাছে আন্দোলন তাই নতুন কিছু নয়।

এই শতকের শুরুতে, যখন ভারত বিশ্ব অর্থনীতির এক উজ্জ্বল তারকা হিসেবে মাথাচাড়া দিচ্ছিল, তখন দেশটির অভ্যন্তরীণ অঞ্চলগুলোয় এক কালো ছায়া নেমে আসে। সেটি হলো মাওবাদী বিদ্রোহ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বসে আছি, একটি কৃষ্ণচূড়াগাছের তলায়। শেষ পৌষের দুপুর। শাল, দেবদারু, মেহগনি, মেঘশিরিষ,, বট-পাকুড়—কত ধরনের বৃক্ষ চারদিকে।