
বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, সিপিবি, ইসলামী আন্দোলন নীতিগত প্রশ্নে যা বলছে
নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। প্রচার এখন তুঙ্গে। এবারও নির্বাচনকালে রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের সামনে অনেক নীতিগত প্রতিশ্রুতি হাজির করেছে।
মতামত ও বিশ্লেষণ

নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। প্রচার এখন তুঙ্গে। এবারও নির্বাচনকালে রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের সামনে অনেক নীতিগত প্রতিশ্রুতি হাজির করেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি ‘শিক্ষা আইন’ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে এবং জনসাধারণের মতামতের জন্য আইনটির খসড়া ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করে যুক্তরাজ্যে চলে যান।

জাতীয় নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে যেভাবে তড়িঘড়ি করে জাতীয় গণমাধ্যম ও সম্প্রচার কমিশনের অধ্যাদেশ প্রকাশ করা হয়েছে, এর প্রক্রিয়া ও উদ্দেশ্য নিয়েই বড় প্রশ্নের জন্ম দেয়।

বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাস এখন আর কেবল একটি মৌসুমি রোগ নয়; বরং এটি এক ভয়াবহ ও অপ্রতিরোধ্য প্রাণঘাতী সংকটে রূপ নিয়েছে।

এপস্টেইন কেলেঙ্কারির ভয়াবহতায় একটি দ্বীপের গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা সম্ভবত কাকতালীয় কিছু নয়। এই কেলেঙ্কারি এখন আমেরিকার অভিজাত শ্রেণির বিস্তৃত অংশকে জড়িয়ে ফেলেছে। এটি আধুনিকতার একটি কল্পনা ও তার অন্যতম নৃশংস নৈতিক বিভীষিকাকে একসঙ্গে সামনে নিয়ে এসেছে।

বাংলাদেশ বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচার-প্রচারণায় স্বাস্থ্য খাতের প্রতিশ্রুতি ক্রমেই গুরুত্ব পাচ্ছে।

ইরানে সাম্প্রতিক অস্থিরতা শাসনব্যবস্থার কোনো পরিবর্তন ঘটায়নি। আবার সেখানে ভেনেজুয়েলার মতো কোনো অভ্যুত্থানের পথও তৈরি করেনি।

কৌতূহলবশত বড় রাজনৈতিক দলগুলোর (যেমন বিএনপি বা জামায়াত) ইশতেহার বা ওয়েবসাইট ঘেঁটে দেখলাম শিক্ষা নিয়ে তাদের কী পরিকল্পনা। হতাশাজনকভাবে, শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে সুনির্দিষ্ট বা যুগোপযোগী কোনো পরিকল্পনা চোখে পড়ল না।

সংবাদপত্র পাঠ একটি দায়িত্বশীল নাগরিক অভ্যাস। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সেই অভ্যাস ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। বর্তমানে সংবাদপত্র পাঠের ধরন দ্রুত বদলে যাচ্ছে।

যাঁরা উন্নয়নের কথা বলেন, তাঁরা কি সুশাসনের কথাও বলেন। প্রশ্নটি আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ মনে হলেও এর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য গভীর। কারণ এই প্রশ্নের মুখোমুখি হলেই আমাদের রাজনীতির সবচেয়ে জনপ্রিয় বয়ানটি নড়বড়ে হয়ে যায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (টুইটার) এখন বাংলাদেশিদের তর্ক–বিতর্ক–কুতর্কের প্রধান বিষয় হয়ে উঠল।