
রোবট কুকুরের ঘটনা ভারতকে যে শিক্ষা দিয়ে গেল
ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটের মঞ্চে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে ভারতের আত্মবিশ্বাসী উচ্চারণ শোনা যাওয়ার কথা ছিল।
মতামত ও বিশ্লেষণ

ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটের মঞ্চে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে ভারতের আত্মবিশ্বাসী উচ্চারণ শোনা যাওয়ার কথা ছিল।

৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর করে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার। জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে অস্থায়ী একটি সরকার কর্তৃক কঠোর গোপনীয়তা বজায় রেখে এই চুক্তি স্বাক্ষরের ঘটনা নানা কারণে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। এ চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থ কতটা রক্ষিত হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে দুই পর্বে লিখেছেন কল্লোল মোস্তফা।

আমরা যারা আশি-নব্বইয়ের দশকে বেড়ে উঠেছি, বোঝার বয়স থেকেই দেখেছি, বাংলাদেশের সরকারপ্রধান একজন নারী। ১৯৯১ সালের স্কুলজীবন থেকে শুরু করে তিন দশকের বেশি সময় ধরে দুই নারী নেত্রীর হাতেই ছিল শাসনভার।

জুলাই সনদের কিছু বিষয়ে বিএনপির ভিন্ন অবস্থান বা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ আছে। এ অবস্থান নিয়েই বিএনপি জনগণের সামনে হাজির হয়েছিল এবং জনগণ তাদেরকে বিপুলভাবে এবং দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে সংসদে পাঠিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে যৌক্তিক প্রশ্নটি হচ্ছে, জুলাই সনদ তাহলে কীভাবে বাস্তবায়িত হবে?

ইফতার অর্থ উপবাস ভঞ্জন। ভোর থেকে সারা দিন ‘সাওম’ পালন শেষে রোজাদার সূর্যাস্তের পর প্রথম যে পানাহারের মাধ্যমে উপবাস ভঞ্জন করেন, তাকে ‘ইফতার’ বলা হয়।

জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম ভাষণটি ঐক্য, সুশাসন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।

সাধারণত বর্ষাকালে নদ-নদীর ভাঙন আমাদের দেশে নিয়মিত দুর্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

দশকের পর দশক পাকিস্তান ছিল ভারতের কৌশলগত ভাবনার কেন্দ্রবিন্দু। ১৯৪৮ সালের প্রথম যুদ্ধ থেকে শুরু করে বারবার সীমান্ত সংকট ও বড় সন্ত্রাসী হামলা পর্যন্ত নয়াদিল্লি তার আঞ্চলিক অবস্থান প্রায় পুরোপুরি ইসলামাবাদকে ঘিরেই নির্ধারণ করেছে। কিন্তু এখন বাস্তবতা আলাদা।

ডোনাল্ড ট্রাম্প একজন একগুঁয়ে স্বভাবের নেতা। তাঁর প্রথম মেয়াদে, ২০২০ সালের ৬ জুলাই তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে বের করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এক নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রবেশ করেছে। দীর্ঘদিনের তীব্র রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, রাজপথকেন্দ্রিক আন্দোলন এবং প্রাতিষ্ঠানিক টানাপোড়েনের পর এই ক্ষমতার পরিবর্তন কেবল সরকার বদলের ঘটনা নয়; এটি রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এক সন্ধিক্ষণ।

আমি দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছি। একই সঙ্গে শিক্ষকতা ও গবেষণার কাজে জাপানে দীর্ঘ সময় কাজ ও বসবাসের অভিজ্ঞতাও হয়েছে। এই দুই বাস্তবতা আমাকে একটি বিষয়ে গভীরভাবে ভাবতে বাধ্য করেছে—বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যকে আমরা এখনো প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দিচ্ছি না।

শুধু আওয়ামী লীগ নয়, আমার পরিচিত অনেকেই, যাঁরা কোনো দলীয় রাজনীতির সমর্থক নন, তাঁরাও এবার ধানের শীষে ভোট দিয়েছেন। কারণ একটাই, যারা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর দোসর হয়ে গণহত্যায় অংশ নিয়েছিল এবং আজও সেই দায় স্বীকার করার নৈতিক সাহস দেখাতে পারেনি, তাদের ওপর জনগণের আস্থা নেই।