
অসুস্থ-অক্ষম ও মুসাফিরের রোজার বিধান
পবিত্র কোরআনের বাণী, ‘আল্লাহ কোনো সত্তাকে তার সামর্থ্যের অধিক দায়িত্বভার চাপিয়ে দেন না।’
মতামত ও বিশ্লেষণ

পবিত্র কোরআনের বাণী, ‘আল্লাহ কোনো সত্তাকে তার সামর্থ্যের অধিক দায়িত্বভার চাপিয়ে দেন না।’

প্রায় এক বছর সাত মাস পর লিখতে বসছি। ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার প্রায় দেড় যুগের ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন হয় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট।

আহসান এইচ মনসুরকে বিদায় করে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় হিসাববিদ ও পোশাক খাতের ব্যবসায়ী মো. মোস্তাকুর রহমানকে। তিনি ছিলেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির একজন সদস্য।

জননিরাপত্তা ও জনসম্পদ রক্ষায় পুলিশ অপরিহার্য বাহিনী। বর্তমানে পুলিশবিহীন রাষ্ট্র কল্পনা করা যায় না।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে ধর্ষণ, হত্যাসহ নারী–শিশু নির্যাতন এবং নৃশংস সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার যে ভয়াবহ চিত্র দেখা যাচ্ছে, তা যারপরনাই উদ্বেগজনক।

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় পাহাড়ি ছড়া ও ফসলি জমি উজাড় করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের যে দুর্ধর্ষ চিত্র দেখা গেল, তা পরিবেশ ধ্বংসের ভয়াবহতাকে আবারও সামনে এনেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সামরিক অভিযান চীনের জন্য আরেকটি কৌশলগত সুবিধা তৈরি করতে পারে। ইরানে নতুন করে আক্রমণ চালাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—উভয়ের অস্ত্রভান্ডার দ্রুত ফুরাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে যেভাবে অপসারণ করা হয়েছে, তা নিয়ে চরম সমালোচনা তৈরি হয়েছে। অর্থনীতি ও ব্যাংক খাতের সংকট ও অনিশ্চয়তা কাটাতে তিনি কী করেছেন বা কী করেননি অর্থাৎ তাঁর সাফল্য ও ব্যর্থতার বিষয়টি নিয়েও পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা চলছে। অর্থনীতিবিদদের কাছে তিনি প্রশংসনীয় হলেও ব্যাংকের সাধারণ গ্রাহকদের কাছে তিনি সমালোচিত। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যাংকের গ্রাহকদের বড় অভিযোগ, তাঁর কারণে তাঁরা ব্যাংক থেকে তাঁদের আমানত তুলতে পারছিলেন না। আহসান এইচ মনসুরই তাঁদের টাকা আটকে দিয়েছেন। বিষয়টি কেমন? আসুন দেখা যাক।

সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সব বন্ধ হলেও কিন্ডারগার্টেন ও কওমি মাদ্রাসা এখনো সচল। এমনিতেই সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থী-খরায় ভুগছে বহুদিন। এ নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্নামেরও শিকার। তার ওপর মাসাধিককাল বন্ধের এই সুযোগ নিচ্ছে আবারও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো।

রাজনৈতিক সংগ্রাম ও তার সাফল্যের পর মানুষের মধ্যে প্রত্যাশা বাড়ে আর সামাজিক জীবনে বাড়ে অস্থিরতা ও উত্তেজনা।

অনেক বছর ধরেই আমরা ব্যবসা শুরু, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ, দেউলিয়াত্ব প্রতিরোধের কাঠামোসহ বিভিন্ন সূচকে উন্নয়ন আনার চেষ্টা করে আসছি।

ভারত সরকার এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করেনি; ইরানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের বিরুদ্ধেও সরব হয়নি।