
ঈদের পর পেট ও হজমশক্তি ভালো রাখতে কী করবেন
ঈদে সাধারণত মাংস ও ভারী খাবার বেশি খাওয়া হয়, যাতে ফাইবারের পরিমাণ খুবই কম থাকে।

ঈদে সাধারণত মাংস ও ভারী খাবার বেশি খাওয়া হয়, যাতে ফাইবারের পরিমাণ খুবই কম থাকে।

ঈদে গরু বা খাসির মাংস একটু বেশি খাওয়া হয়ে গেছে? হতেই পারে; কারণ, ঈদে এসব খাবার পাতে থাকবেই। তবে এসব গুরুপাক খাবার।

রোজ দারুচিনি-পানি খাওয়ার চর্চাটা অনেকের কাছে ওজন কমানোর একটা সহজ উপায় হিসেবে জনপ্রিয়। তবে এই পানীয় গ্রহণে আদতেই কি ওজন কমে?

আপনার যদি বিকেলে বা সন্ধ্যায় চা খাওয়ার অভ্যাস থাকে, তাহলে ইফতারের পর চা না খেলে খারাপ লাগতে পারে।

রান্না ও বেকিংয়ে বেকিং সোডা ও বেকিং পাউডার ব্যবহারের পার্থক্য জানা জরুরি। স্বাস্থ্য এবং স্বাদের জন্য।

বাদাম ও অন্যান্য বীজ ভুল পদ্ধতিতে খাওয়া হলে উপকার না-ও মিলতে পারে। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে ক্ষতির কারণও হয়ে দাঁড়াতে পারে।

গ্রীষ্মে খরমুজ বা সাম্মাম পানিশূন্যতা রোধ, হজমশক্তি বাড়ায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এতে ভিটামিন এ, সি, পটাশিয়ামে ভরপুর। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পরিমিত খাওয়ার পরামর্শ।

গরমকালের প্রিয় খাবার পান্তাভাত শুধু স্বাদে নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর। লাল চালের পান্তায় আয়রন, ক্যালসিয়ামসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান অনেক বেশি। গবেষণায় প্রকাশ, এটি হজমশক্তি বাড়ায় এবং রক্তশূন্যতা কমাতে সাহায্য করে।