
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় জানালেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল জানান, বর্ষা শেষে দেশজুড়ে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল জানান, বর্ষা শেষে দেশজুড়ে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বর্তমান বাস্তবতা, সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানেরই মেয়াদ পার হয়ে গেছে, কোনো কোনোগুলোতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে প্রশাসকও বসানো হয়েছে এবং নতুন সরকার ইতিমধ্যে সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদে দলীয় ব্যক্তিদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। তবে সাংবিধানিক ও আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কর্তৃত্বে পরিচালনা নিশ্চিত করতে হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া জরুরি।

স্থানীয় সরকারকে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের শিকল ছিন্ন করতে হবে যাতে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ইচ্ছামতো বরখাস্তের চর্চা গণতান্ত্রিক নয়। স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীন কমিশনের মাধ্যমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যেতে পারে।

অতীতে নানা সময়ে নিজ নিজ সংসদীয় এলাকায় অবকাঠামো উন্নয়নের নামে সংসদ সদস্যদের জন্য প্রকল্প পাস হয়েছে।

সংসদে রুমিন ফারহানা প্রশ্ন তোলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারবে কি না।

গাইবান্ধা-২ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল করিমের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের (মেম্বার) বেতন বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ড জানাতে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান এ কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে ৪৪টি পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনায় দলীয়ভাবে ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি।

বগুড়ায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে জড়িয়ে মানহানিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে একটি পত্রিকার সম্পাদকসহ চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর অফিস সহায়ক পদে ২৮০ জনকে নিয়োগ দেবে, আবেদন শেষ আগামী ৮ জুলাই ২০২৬।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নির্বাচন ঘোষণার প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করার জরুরি প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। সংবিধানের বাধ্যবাধকতা, সাবসিডিয়ারিটি নীতি ও তৃণমূল গণতন্ত্রের ভিত্তি গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। দ্রুত নির্বাচন ও আইন সংস্কারের আহ্বান জানানো হয়েছে।