
সাহাবি হিন্দের হিজরত: মাতৃভূমি ত্যাগের বেদনাকাব্য
নবাগতের নাম রাখা হয় ‘সালামা’। আর সেই দিন থেকেই আবদুল্লাহ ও হিন্দ দম্পতি আরবের প্রথা অনুযায়ী নতুন কুনিয়াত বা সম্বোধনে পরিচিত হয়ে ওঠেন—‘আবু সালামা’ ও ‘উম্মে সালামা’।

নবাগতের নাম রাখা হয় ‘সালামা’। আর সেই দিন থেকেই আবদুল্লাহ ও হিন্দ দম্পতি আরবের প্রথা অনুযায়ী নতুন কুনিয়াত বা সম্বোধনে পরিচিত হয়ে ওঠেন—‘আবু সালামা’ ও ‘উম্মে সালামা’।

মুসলিম সৈন্যরা যখন মদিনায় পরিখা খনন করছিলেন, তখন তাঁদের তাবুগুলো ছিল এই এলাকায়। তবে স্থানটি ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে আছে এক অলৌকিক মেজবানির জন্য।

উপস্থিত মুসলমানরা বেদুইনের এমন আচরণের প্রতিবাদ করে বললেন, ‘আল্লাহর রাসুল কখনো মিথ্যা বলতে পারেন না।’ এমন সময় সাহাবি খুজায়মা (রা.) সেখানে এগিয়ে আসেন।

হাতিব (রা.) ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, দক্ষ তীরন্দাজ ও দক্ষ ঘোড়সওয়ার। একই সঙ্গে তাঁর ভাষাজ্ঞান ছিল ঈর্ষণীয়।

তিনি একবার নবীজিকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, গায়ের রঙের কারণে জান্নাতে তাঁর মর্যাদা কম হবে কি না। নবীজি তাঁকে আশ্বস্ত করেন। পরে তিনি এক যুদ্ধে শহীদ হন।

নবীজি (সা.)-এর কবর থেকে শেষ বেরোনো সাহাবি মুগিরা ইবনে শুবা (রা.) ছিলেন অসাধারণ বিচক্ষণ ও কৌশলী। তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা ও অবদান নিয়ে এই প্রতিবেদন। বাহরাইনের ঘটনা ও কুফার গভর্নরত্বে তাঁর ভূমিকা বিস্ময়কর।

সুন্দর পোশাক, কিছুটা আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য কিংবা পরিবারের প্রয়োজনীয় জিনিসের প্রত্যাশা করা কোনো অপরাধ নয়। নবীজির স্ত্রীরাও কিছু অতিরিক্ত ভরণপোষণের আবেদন করতেন।

এই সংবাদে ওমরের মন ভরে গেল আনন্দে। তাঁর মেয়ে শুধু পুনর্বিবাহের সুযোগই পেলেন না, বরং তিনি হয়ে গেলেন মুমিনদের জননী, ইসলামের যাকে বলে উম্মুল মুমিনিন।

একবার ক্ষুধার তীব্রতায় পথ থেকে কুড়িয়ে পাওয়া একটি স্বর্ণমুদ্রা দিয়ে কেনা আটার রুটি বানিয়ে ক্ষুধা নিবারণ করেছিলেন। তবে অন্তরে ছিল আল্লাহর প্রতি অগাধ বিশ্বাস।

উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.)-এর জীবন থেকে দাম্পত্য জীবনে ত্যাগ ও আনুগত্যের শিক্ষা। নবীজি (সা.)-এর সঙ্গে তাঁর প্রায় নয় বছরের সম্পর্কে ছবি ও খাবার ভাগাভাগির ঘটনা দুটি চমৎকার দৃষ্টান্ত। এগুলো পারিবারিক শান্তির ভিত্তি গঠনে সাহায্য করে।

রাখাল ছেলে আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদের সততায় মুগ্ধ হয়ে নবী (সা.) অলৌকিকভাবে দুধ দেন। তিনি নবীজির বিশ্বস্ত খাদেম, যুদ্ধবীর এবং কোরআনের শীর্ষ বিশেষজ্ঞ হয়ে ওঠেন। রাসুল (সা.) চার সাহাবির মধ্যে তাঁকে কোরআন শেখার জন্য সর্বোচ্চ স্থান দেন।

এরপর সে অন্য একজনকে বিয়ে করলেও আগের স্বামীর ভালোবাসা ও মর্যাদার সঙ্গে তার তুলনা করতে পারে না।