
‘নির্মাণ হয় না কবিতার; যা হয়, তা হলো সৃজন—ফুল ফুটিয়ে তোলার মতো করে’
বাংলা ভাষার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন কবি মাসুদ খান। তাঁকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে (২০২৫) সম্মানিত করা হয়। তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাথী নন্দী।

বাংলা ভাষার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন কবি মাসুদ খান। তাঁকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে (২০২৫) সম্মানিত করা হয়। তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাথী নন্দী।

বাংলা লোকগানের অঙ্গনে সালাম সরকার এক অনন্য নাম। প্রচারবিমুখ এই বাউলশিল্পী ও গীতিকার চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তাঁর গান ও সাধনার মধ্য দিয়ে জয় করে চলেছেন অসংখ্য শ্রোতার হৃদয়।

১৪ মে জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মৃত্যুদিবস উপলক্ষে অপ্রকাশিত সেই সাক্ষাৎকারের চুম্বক অংশ প্রকাশ করা হলো।

সাক্ষাৎকারটি গুরুত্ব দুটো কারণে। প্রথমত, ১৯৭১ সালে খুনি পাকিস্তানিদের ‘মাইন্ড সেট’ বোঝার জন্য। দ্বিতীয়ত, সেই মানসিকতার কোনো পরিবর্তন পাকিস্তানিদের মধ্যে দেখা গেছে কি?

‘আর্থার মিলারের সাক্ষাৎকার’টি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালের ৬ নভেম্বর মুক্তকণ্ঠের প্রথম বর্ষের তৃতীয় সংখ্যার ‘শুক্রবারের সাময়িকী’তে। তখনো মুক্তকণ্ঠ অনলাইন কার্যক্রম শুরু হয়নি, তাই গল্পটি এত দিন শুধু ছাপা পত্রিকার পাতাজুড়েই ছিল। সাক্ষাৎকারটি আজ প্রথমবারের মতো ‘অন্য আলো’র অনলাইন পাঠকের জন্য উপস্থাপন করা হলো।

আমি মানুষের আবেগ সম্পর্কে লিখি, ঐতিহাসিক ঘটনা সম্পর্কে নয়; অভ্যন্তরীণ ঘটনা সম্পর্কে লিখি, বাহ্যিক নয়।

শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার গতকাল ২৯ জুন রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। গত বছর ৩ আগস্ট তাঁর এই সাক্ষাৎকার নেন এস এম রাকিবুর রহমান।

বামপন্থীদের অবশ্যই প্রথমে পুরোনো চেহারার বিপ্লবী বা বিদ্রোহী ঘটনার প্রতি মুগ্ধতা ছেড়ে দিতে হবে।

তাঁর সঙ্গে এই কথোপকথন ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর দীপাবলি কিংবা কালীপূজার সন্ধ্যায়। আজ ৬ ফেব্রুয়ারি বাউল সুনীল কর্মকারের দেহাবসান হয়।

রবীন্দ্রনাথ ও আইনস্টাইনের সাক্ষাৎ ও আলাপ ছাড়াও দুজনের মধ্যে বহুবার পত্রবিনিময় হয়েছিল। এই আলাপচারিতা হয়েছিল ১৯৩০ সালের সাক্ষাতে, ১৪ জুলাই।

আমার মনে হয় পারমাণবিক শক্তি মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। পারমাণবিক শক্তি পরিচালনায় কোনো ভুল ঘটলে তাৎক্ষণিক বিপর্যয় ভয়ানক হবে; এর তেজস্ক্রিয়তায় ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আসুন, এমন উপাদান ব্যবহার বন্ধ করি, যা শত শত হাজার বছর ধরে পৃথিবীকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

কিওকো নিওয়া জাপানের প্রখ্যাত বাংলা সাহিত্য-গবেষক ও অনুবাদক। তিনি টোকিও ইউনিভার্সিটি অব ফরেন স্টাডিজের সাবেক অধ্যাপক। এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি স্নাতকোত্তর (১৯৮৩) এবং ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি (১৯৮৮) অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার মূল বিষয় আধুনিক ও সমকালীন বাংলা সাহিত্য, বাংলা কবিতা ও তুলনামূলক সাহিত্য। দীর্ঘ শিক্ষকজীবনে তিনি টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগ প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।