
অপরিচিত লিংকে ক্লিক নয়, মানুষের অসতর্কতার সুযোগে থাকে সাইবার অপরাধীরা
সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন করতে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে আয়োজন করা হয় বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচি।

সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন করতে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে আয়োজন করা হয় বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচি।

সরকার সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন করে মেটাকে ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণে বাধ্য করার উদ্যোগ নিচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রল করা, না জেনে শেয়ার দেওয়া কিংবা কাউকে সাইবার বুলিং করা আমরা খুব সাধারণ ভাবলেও ইসলামের দৃষ্টিতে এগুলো ভয়াবহ অপরাধ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনার একটি বড় অংশ হবে আনসার বাহিনীর তৈরি এই ‘প্রান্তিক কণ্ঠস্বর’ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিভিন্ন বিতর্কিত ধারা এবং তার অপব্যবহারের কারণে আইনটি বাতিলের দাবি ছিল।

তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, বিটিআরসি ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করে ক্ষতিকর, ভুয়া ও গুজবভিত্তিক কনটেন্ট অপসারণের উদ্যোগ নিচ্ছে।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নারীবিদ্বেষী প্রচারণা রোধে সচেতনতা, ইতিবাচক কনটেন্ট তৈরি, নারীর সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প তুলে ধরার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

দেশের সাইবার জগতের ৬০-৭০% ট্রাফিক বটের দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। ‘মাল্টি-স্টেকহোল্ডার ডায়ালগ’ সংলাপে সাইবার নিরাপত্তা, আইন প্রয়োগ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বিভিন্ন মতামত হাওয়া হয়েছে। আয়োজক দৃক, নাগরিক কোয়ালিশন ও জাতিসংঘের ‘ব্যালট’সহ সংস্থাগুলো।

রুমিন ফারহানা বলেন, বিশেষ করে নারীরা, যাঁরা রাজনীতি বা মিডিয়াজগতের সঙ্গে যুক্ত তাঁদের সাইবার স্পেসটি প্রতিদিনই একটু একটু করে কঠিন হয়ে যায়।

সমালোচনা ও কটূক্তি এক জিনিস নয়। কটূক্তি মানুষের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এবং মানুষের মাঝে শত্রুতা তৈরি করে, আর সমালোচনার মূল লক্ষ্য হলো সংশোধন

মব জাস্টিস ও নারী হেনস্তা রোধে আইনের কঠোর প্রয়োগ চেয়েছে ব্রেইন।

ফেসবুকসহ অনলাইনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অন্য দলের নারী এবং সার্বিকভাবে নারীদের নিয়ে মিথ্যা তথ্য, অপতথ্য ছড়াচ্ছেন, বাজে মন্তব্য করছেন।