
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্বের রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্বের রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান ১৯৯১ সালের ২১ জুন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কোর অব ইনফেনট্রিতে কমিশন লাভ করেন।

সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার বন্ধ করতে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন। বিমানবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং সাবেক প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী এ কে এম শামসুল ইসলামের বিরুদ্ধে অসত্য প্রচারের অভিযোগ তুলেছে সংগঠনটি। দেশবাসীদের গুজব থেকে সতর্ক থাকার এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম আইএসপিআর পরিদর্শন করে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা জনগণের কাছে আরও দৃশ্যমান করার নির্দেশ দেন। তিনি জনসংযোগ শক্তিশালী করতে এবং আধুনিক যোগাযোগকাঠামো গড়ে তোলার উপর জোর দেন। এ সময় পরিদপ্তরের কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

ফ্যাসিস্ট সরকার যেভাবে বিভিন্ন বাহিনীকে ধ্বংস করেছে, সেখান থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে বাংলাদেশের মানুষের চাহিদার সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম।

মঙ্গলবার খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার বরকলক এলাকায় এবং আজ বুধবার সকালে রামগড় উপজেলার হাজাছড়া এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী দলের বিরুদ্ধে পৃথক অভিযান চালায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

ঢাকা সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত দরবারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দেশের সার্বভৌমত্ব ও সংবিধানের মর্যাদা রক্ষায় সজাগ থাকতে বলেন। তিনি বাহিনীর পেশাদারত্ব, শৃঙ্খলা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যৎ আধুনিকায়নের জন্য সরকারি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেছেন, সুদৃঢ় সামরিক-বেসামরিক সম্পর্ক দেশের সার্বভৌমত্ব ও উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।

বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা দর্শনের আরেকটি অপরিহার্য ভিত্তি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। এটা জনগণের মধ্যে এক গভীর আত্মপরিচয় ও দায়িত্ববোধের জন্ম দেয়, যা প্রকারান্তরে প্রত্যেক নাগরিককেই দৃঢ়চিত্ত হতে উৎসাহিত করে। কোনো জাতির জনগণ যখন তার নিজস্ব ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও স্বাধিকার-স্বাধীনতার মূল্য গভীরভাবে উপলব্ধি করে, তখন তা ভূখণ্ডগত প্রতিরক্ষা ও জাতীয় নিরাপত্তা প্রশ্নে সবার ভেতরেই এক জোরালো অঙ্গীকারের জন্ম দেয়।

স্বাধীনতা দিবসে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সবার জন্য উন্মুক্ত।

কয়েক বছর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিদায়ের পর থেকেই পাকিস্তানে হামলার ঘটনা নাটকীয়ভাবে বেড়েছে।