
সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জামায়াত আমিরের বিতর্ক
জুলাই জাতীয় সনদের প্রস্তাব বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে জাতীয় সংসদে বিতর্ক হয়েছে।

জুলাই জাতীয় সনদের প্রস্তাব বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে জাতীয় সংসদে বিতর্ক হয়েছে।

বিএনপির নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। শপথ না নেওয়ার মাধ্যমে জটিলতা তৈরি হলো।

বিএনপি সরকারকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার দাবি জানিয়েছে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য।

আমরা, সংবিধান সংস্কার কমিশনের দুই সদস্য শরীফ ভূঁইয়া ও ফিরোজ আহমেদ, দুটি বিষয়ে কমিশন বরাবর দুটো লিখিত মতামত দিয়েছিলাম। প্রথমটি দেওয়া হয়েছিল ২৩ নভেম্বর ২০২৪। এটি ছিল রাষ্ট্রপতির পদকে শক্তিশালী করা প্রসঙ্গে। অন্যটি দেওয়া হয়েছিল ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪। এটি সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ ও রাষ্ট্রধর্ম অন্তর্ভুক্তি নিয়ে। এই দুটি লিখিত মতামতে আমরা আমাদের যৌথ ভাবনা প্রকাশ করেছিলাম, যা কমিশনের বাকি সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের মতামত থেকে ভিন্ন ছিল।

চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম সংবিধানের নামে সংস্কার ব্যাহত করলে ইতিহাস রাজনীতিবিদদের ক্ষমা করবে না বলে সতর্ক করেছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংস্কারের সুযোগ নষ্ট করার নিন্দা করে তিনি বিএনপির দ্বিচারিতার কথা তুলে ধরেছেন। গণভোটের ফলাফল মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে আমরা এখন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির (পিআর) ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ গঠন এবং সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে উচ্চকক্ষের অনুমোদন বা ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা সংস্কার কমিশনের এই প্রস্তাবেতে বিএনপি শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে।

সংবিধান সংশোধনে সরকারের প্রস্তাবিত বিশেষ কমিটিতে নাম দেবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি জামায়াতে ইসলামী।

শুভ সকাল! আজ ১১ মে সোমবারের আলোচিত পাঁচটি খবর: জামিন-গ্রেপ্তারের ঘটনা, গাজীপুর হত্যাকাণ্ড, সংবিধান সংস্কার নিয়ে সাক্ষাৎকার, তামিলনাড়ু জোট সরকার এবং কারিনা কায়সার স্বাস্থ্যবস্থা। বিস্তারিত জানুন লিঙ্কগুলোতে ক্লিক করে।