
বন্ধ কারখানা চালু করতে ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ, সুদের হার ৭%
৭% সুদে মিলবে বন্ধ কলকারখানা চালুর ঋণ

৭% সুদে মিলবে বন্ধ কলকারখানা চালুর ঋণ

রপ্তানিমুখী ও স্থানীয় জাহাজনির্মাণ শিল্পের ঋণ পুনঃ তফসিল ও পুনর্গঠনে বিশেষ নীতিমালা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে মাত্র দেড় শতাংশ অর্থ জমা দিয়ে ঋণ নবায়ন করতে পারবেন এ খাতের উদ্যোক্তারা।

ব্যাংকগুলোকে চামড়া ঋণের লক্ষ্যমাত্রা এবং কত টাকা বিতরণ করা হলো, সেই তথ্য আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবৃদ্ধি ও নীতি বিভাগে পাঠাতে হবে।

রাষ্ট্রমালিকানাধীন তিন ব্যাংক ট্যানারিমালিকদের কোরবানির পশুর চামড়া কিনতে ১৬০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। বেসরকারি কিছু ব্যাংকও চামড়া কেনার জন্য ঋণ দিয়েছে।

দেশের অভিজাত এলাকায় বর্তমানে ফ্ল্যাটের দাম গড়ে ৫ থেকে ১০ কোটি টাকা। আগে দুই কোটি পর্যন্ত ঋণ পাওয়া গেলেও এখন গ্রাহকেরা চার কোটি টাকা ঋণ নিতে পারবেন।

যেসব বন্ধ কারখানার ক্রয়াদেশ পাবে ও পণ্যের বাজার চাহিদা রয়েছে, তাদের চলতি মূলধনসুবিধা দিয়ে আবার চালু করতে এই তহবিল করা হচ্ছে।

সিটি গ্রুপকে ঘিরে সাম্প্রতিক আলোচনা তাই শুধু ২৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকার ব্যাংক ঋণের গল্প নয়। এটি বাংলাদেশের কর্পোরেট অর্থনীতি, ব্যাংকিং খাত এবং উদ্যোক্তা সংস্কৃতির গভীরে লুকিয়ে থাকা কিছু বাস্তবতারও প্রতিচ্ছবি।

আজ বুধবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিসিআই কার্যালয়ে বাজেট নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় ব্যবসায়ী নেতারা এই শঙ্কার কথা বলেন।

প্রথম ধাপে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, বিতর্কিত ব্যবসায়ী এস আলম এবং শিল্প গ্রুপ বেক্সিমকো, সিকদার, নাসা ও ওরিয়ন–সংশ্লিষ্ট ছয়টি মামলায় এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন।