
শিল্পচর্চার সঙ্গে যেন রাষ্ট্র থাকে
আমরা বিশ্বাস করি, শিল্পচর্চা খারাপ দিক বয়ে আনতে পারে না। এই জায়গা যেন কোনোভাবেই নষ্ট না হয়।

আমরা বিশ্বাস করি, শিল্পচর্চা খারাপ দিক বয়ে আনতে পারে না। এই জায়গা যেন কোনোভাবেই নষ্ট না হয়।

‘মায়া’ প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী বুয়েটের শিক্ষার্থীদের কাজগুলোতে লক্ষ করা যায় একধরনের নিয়ন্ত্রিত আবেগ—যেখানে কম্পোজিশন সচেতন, ফর্ম সংযত এবং ভাবনা স্পষ্ট।

শিল্পকর্ম আমাদের পাপ, এটা কি অন্যায়, শিল্পচর্চা করে কি আমরা অপরাধী? ভয় ও শঙ্কার মধ্যে থাকতে হবে, এই বুঝি আমায় ধরল, মারল।’

কসমস সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘কসমস আর্ট ইকো’ শিল্পচর্চা ও সামাজিক বাস্তবতার উদ্বোধনী আলোচনায় শিল্পীর অভিজ্ঞতা ও সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশের সমসাময়িক শিল্পচর্চায় আজ একদিকে রয়েছে বাস্তবানুগ বা ফটোগ্রাফিক দক্ষতার প্রতি প্রবল আকর্ষণ, অন্যদিকে রয়েছে প্রকৃতি ও বাস্তবতাকে আত্মস্থ করে সেটিকে নতুন নন্দনভাষায় রূপ দেওয়ার প্রবণতা। রাজধানীর গ্যালারি কায়ার ২২তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ দলগত প্রদর্শনীটি দ্বিতীয় প্রবণতার এক বিস্তৃত ও তাৎপর্যপূর্ণ মানচিত্র হাজির করেছে। প্রদর্শনীতে ৪৫ জন আধুনিক ও সমসাময়িক শিল্পীর ৭৩টি নির্বাচিত শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। ১৯৫৭ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রায় সাত দশকের শিল্পযাত্রাকে একত্র করেছে এই আয়োজন।

‘যিনি নাটককে দেখতেন জীবনের অংশ হিসেবে, আর শিল্পচর্চাকে মনে করতেন মানবিক দায়বদ্ধতার জায়গা।’