
শরণার্থীশিবির থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে: অস্ট্রেলিয়ার ফুটবলে আফ্রিকান রূপকথা
অস্ট্রেলিয়ার আক্রমণভাগের দায়িত্ব সামলানোর ভারও তাঁদের কাঁধে। এই তিন খেলোয়াড়ের নাম মোহাম্মদ তুরে, নেস্তরি ইরানকুন্ডা ও আওয়ার মাবিল।

অস্ট্রেলিয়ার আক্রমণভাগের দায়িত্ব সামলানোর ভারও তাঁদের কাঁধে। এই তিন খেলোয়াড়ের নাম মোহাম্মদ তুরে, নেস্তরি ইরানকুন্ডা ও আওয়ার মাবিল।

ইরানের এক ছোট ঘর থেকে শুরু, তারপর শরণার্থীজীবন পেরিয়ে জার্মানি, আর সেখান থেকে বলিউড। ইরানি অভিনেত্রীর জীবন যেন অবিশ্বাস্য এক গল্প।

‘আমরা আপনাকে দেশে ফেরার জন্য উড়োজাহাজের টিকিট দেব। পাশাপাশি সেখানে গিয়ে নতুন করে জীবন শুরু করতে প্রায় ২১০০ ডলারও দেওয়া হবে।’

শরণার্থীদের প্রত্যাবর্তনের পরিস্থিতি মোটেও অনুকূল নয়। অনেক মানুষ সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতার মধ্যেও ফিরছেন, ওই সব মানুষদের দেশে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকি নিয়ে তাই প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে।

‘সকার উইদাউট বর্ডারস’ নামে একটি সংগঠনের উদ্যোগে খেলাধুলার মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত তরুণ-তরুণী, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে আসা নতুন অভিবাসী ও শরণার্থী কিশোর-কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কাজ করছে।

একাত্তরে শরণার্থীশিবিরে হিন্দু-মুসলিম শরণার্থীরা ধর্মীয় ভেদাভেদ ভুলে একে অপরের উৎসবে অংশ হতেন এবং একত্রে থাকার প্রত্যয়ে ছিলেন।

১৯৭১ সালের প্রত্যেক শরণার্থীই ছিল একেকজন মুক্তিযোদ্ধা। তারা অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেনি; কিন্তু বিশ্বজনমত গঠন করতে সহযোগিতা করেছে।

গত বছর ইসরায়েলি বাহিনী কয়েক সপ্তাহ ধরে জেনিন শরণার্থীশিবিরে প্রাণঘাতী অভিযান চালায়