
লোডশেডিং এত বাড়ার কারণ কী
লোডশেডিং এত বাড়ার কারণ কী

লোডশেডিং এত বাড়ার কারণ কী

লোডশেডিং মানেই গ্রাম

লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ খাতের সংস্কার নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিদ্যুৎ উপদেষ্টা।

তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। জ্বালানির অভাবে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। কারিগরি কারণে আদানির একটি ইউনিট বন্ধ।

কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশের বিদ্যুৎ–চিত্রে এক অদ্ভুত বৈপরীত্য দেখা যাচ্ছে। সরকারি মুখপাত্ররা বলছেন, লোডশেডিং নেই বা থাকলেও তা নগণ্য।

বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের দায়ভার যেভাবে গ্রামীণ জনপদের মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে, সেটা শুধু অন্যায্য ও বৈষম্যমূলকই নয়;

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল টেক্সটাইল, নিটিং ও গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি এক্সপো (বিটিকেজি এক্সপো) উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

জ্বালানির অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম। বরাবরের মতো লোডশেডিংয়ের প্রায় পুরোটাই হচ্ছে গ্রামে।

বিদ্যুৎ–সংকটের কারণে দুটি কেন্দ্র বন্ধ, লোডশেডিং চলছে। মন্ত্রীর আশা, দুই দিনে অবস্থার উন্নতি হবে।

গ্রামে কোনো কোনো এলাকায় ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং। হামলা, মারধর, অফিস ঘেরাও, ভাঙচুর এড়াতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর অনুরোধ।

রাহীরা থাকে রাজশাহী নগরের কাজলায়। বাবা সাঈদ রিকশাচালক। মা যুথী বেগম গৃহিণী। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়তে শুরু করায় সংসারে টানাটানি শুরু হয়েছে।

ঢাকার আশপাশে নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরে তীব্র লোডশেডিংয়ে শিল্পকারখানার উৎপাদন কমে যাচ্ছে, ব্যাহত হচ্ছে সেচ ও জনজীবন। বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন থাকছে মানুষ, বাড়ছে ভোগান্তি ও লোকসান।