
রূপপুরে আরও অনিয়ম
রূপপুরে আরও অনিয়ম

রূপপুরে আরও অনিয়ম

সিএজির নিরীক্ষায় রূপপুরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম কেনায় প্রায় ১৮৭ কোটি টাকা অতিরিক্ত পরিশোধের তথ্য উঠে এসেছে।

মস্কোতে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে সহযোগিতা জোরদারে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও রাশিয়া।

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে মঙ্গলবার পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হয়েছে। আগস্টে জাতীয় গ্রিডে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে। এটি বাণিজ্যিক উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে ২১টি ড্রেসিং টেবিল কেনা হয়েছে প্রতিটি ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকায়, যা বাজারদরের ১৮ গুণ বেশি। সিএজির তদন্তে শুধু ড্রেসিং টেবিলে ৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের তথ্য পাওয়া গেছে। প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম সত্ত্বেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে বালিশ কেনায় ৩ কোটি ৯২ লাখ টাকার ক্ষতি। ৮৯ হাজার ৯০০ টাকা দরে ৬০টি বালিশ কেনা হয়েছে। প্রকল্পের ভবন নির্মাণে ২৯৫ কোটি টাকা লুট।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে বালিশ কেনায় মহা দুর্নীতি: ৮৯ হাজার ৯০০ টাকায় ৬০টি বালিশ কেনা হয়েছে, সরকারের ক্ষতি ৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা। সিএজির তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। টিআইবি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অর্থ উদ্ধারের দাবি জানিয়েছে।

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে সভাপতি মো. গোলাম মাহবুব এবং সাধারণ সম্পাদক এ টি এম গোলাম কিবরিয়া নির্বাচিত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার রাজধানীর প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ‘মাহবুব-কিবরিয়া’ পরিষদ প্রধান শক্তি অর্জন করে। আগামী দুই বছর তারা দায়িত্ব পালন করবেন।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি ব্যবহার শুরুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্যও ছড়াচ্ছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের উদ্ধৃত করে এমন সব বক্তব্য ছাড়াচ্ছে ফেসবুকে, যা তাঁরা বলেননি।

দেশের সবচেয়ে বড় একক প্রকল্প। বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুল্লিতে ইউরেনিয়াম বা পারমাণবিক জ্বালানি প্রবেশ শুরু।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রোসাটম ডিজির সাক্ষাতে রূপপুর প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুল্লিতে পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়ামের ব্যবহার শুরু হয়েছে। কড়া নিরাপত্তায় আজ মঙ্গলবার বিকেলে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন হয়।