
রাজনৈতিক পরিবেশ স্থিতিশীল থাকলে বিনিয়োগ বাড়বে: পরিবেশমন্ত্রী
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন-বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু ইফতার অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন-বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু ইফতার অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, ক্ষমতার পটপরিবর্তন, অর্থনৈতিক সংকটসহ নানা কারণে চার-পাঁচ বছর ধরে ব্যবসা–বাণিজ্যে শ্লথগতি আছে। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের ঘাটতির সমস্যা বিরাজমান।

রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এবং প্রতিশ্রুতি পূরণের যোগ্যতা বিবেচনায় জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় আসে।

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার প্রতিবেশ সংকটাপন্ন সোনাদিয়া দ্বীপে গত চার বছরে অন্তত ৭ হাজার একর প্যারাবন (ম্যানগ্রোভ বন) উজাড় করা হয়েছে। বনভূমি দখল করে সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে ৮২টি চিংড়িঘের। বছরের ছয় মাস এসব ঘেরে চিংড়ি চাষ এবং বাকি সময় লবণ উৎপাদন করা হচ্ছে। প্যারাবন দখলের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা বিএনপি, জামায়াত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী।

প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর অভিযোগ করেছেন, বিরোধী দলের আচরণ সামাজিক মাধ্যমে টক্সিক পরিবেশ তৈরি করছে।

ফেনী জেলার ছয়টি উপজেলায় মাটিখেকো সিন্ডিকেট কৃষিজমি ও পরিবেশ ধ্বংস করছে। প্রশাসনের অভিযান সত্ত্বেও ব্যবসা অব্যাহত, রাজনৈতিক নেতাদের জড়িত থাকায় অপরাধ বাড়ছে। কঠোর ব্যবস্থা না নিলে কৃষির ভবিষ্যৎ বিপন্ন।

সাম্প্রতিক নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক পরিবেশ ও সৌহার্দ্যের প্রসঙ্গ তুলে ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন নির্মাতা আশফাক নিপুন।

অধিবেশনে নির্বাচনে অংশ নিতে যাওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে পৃথিবীর ভূরাজনৈতিক পরিবেশ পরিস্থিতি থেকে শুরু করে মনস্তত্ত্ব, সৃজনশীলতা ও শিল্পকলার ধারণাগুলোতে আসে বিপুল পরিবর্তন।

পরিবেশ উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি আদায়ে সাধারণ মানুষকে আরও সোচ্চার ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বাপা।

জুলাই অভ্যুত্থানের আগে ও পরের বাংলাদেশে জননিরাপত্তা একটি বড় হুমকি হয়েই রয়েছে বলে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক রওনক জাহানের পর্যবেক্ষণ। তাঁর মতে, আগে ছিল ভয়ের পরিবেশ। গণ–অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরে এখন ভয়ের সঙ্গে অসহিষ্ণু পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরও লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হত্যা, মব সন্ত্রাস ও রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধ না হওয়ায় প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে, সেটি নিরসনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও অন্তর্বর্তী সরকারকে অবশ্যই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।