
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রথমবারের মতো ‘নৌ ড্রোন’ নামাল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে প্রথমবারের মতো চালকবিহীন ড্রোন স্পিডবোট মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে প্রথমবারের মতো চালকবিহীন ড্রোন স্পিডবোট মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানের শাহেদ ড্রোন: পশ্চিমের নতুন চ্যালেঞ্জ

ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামের পর ইরান রোববার ভোরে ইসরায়েল ও কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। কুয়েত ও ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ইরানের হামলার জবাব দিচ্ছে। এক মাস ধরে চলা যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্য ছড়িয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতি অস্থির করেছে।

দ্য ইকোনমিস্ট-এর প্রতিবেদনে ফাঁস হয়েছে রাশিয়ার গোপন পরিকল্পনা, যাতে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ফাইবার-অপটিক ও স্টারলিংক ড্রোন সরবরাহ এবং প্রশিক্ষণের প্রস্তাব ছিল। জিআরইইউ-এর ১০ পৃষ্ঠার নথিতে ডায়াগ্রাম ও মানচিত্র রয়েছে। ড্রোন সরবরাহ বা প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ড্রোন তৈরির কর্মসূচি হাতে নিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা বা যুদ্ধ দপ্তর পেন্টাগন।

‘মাথার ওপর দিয়ে ঝাঁকে ঝাঁকে মিসাইল আর ড্রোন ছুটে যায়। কখনো আকাশেই সেগুলো ধ্বংস হচ্ছে, কখনো বিকট শব্দে আঘাত হানছে। শব্দ পেলেই আমরা দৌড়ে জাহাজের সুরক্ষিত কক্ষে আশ্রয় নিচ্ছি।’

হরমুজ প্রণালির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর ২০ কোটি ডলার মূল্যের নজরদারি ড্রোন এমকিউ–৪সি শুক্রবার নিখোঁজ হয়েছে। জরুরি সংকেত পাঠানোর পর এটি দ্রুত উচ্চতা হারিয়েছে এবং ইরানের দিকে মোড় নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তির দুই দিন পর এ ঘটনা ঘটেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা আরব সাগরে একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার জেরে ইরানে আবারও হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এর আগে গত মঙ্গলবার আইআরজিসি বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করলে তার জবাব দেওয়ার ‘বৈধ ও সুনির্দিষ্ট’ অধিকার তারা সংরক্ষণ করে।

‘অকাস’ জোটের অধীন ডুবোড্রোন প্রযুক্তি তৈরি করবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া।

ইরানের সেই ‘শাহেদ-১৩৬’ ড্রোন এখন মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হয়েছে।