
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ : বাড়ছে তেলের দাম, লেবাননে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছে মানুষ
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে বাড়ছে তেলের দাম

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে বাড়ছে তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ উপসাগরীয় অঞ্চলের পুরোনো নিরাপত্তাকাঠামোকে ভেঙে দিয়েছে।

বিপুল ক্ষয়ক্ষতির পরও ইরান উল্লেখযোগ্য সামরিক সক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছে।

কাতারের রাজধানী দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কারিগরি আলোচনা শুরু হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটি কোনো শান্তিচুক্তি নয়। এমনকি শান্তিচুক্তির একটি বিশ্বাসযোগ্য কাঠামো বলেও একে ধরা যায় না।

ইরাক সফরে গিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী আগামী ৩০ দিন হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে তেহরানের একক নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।

এই যুদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলোকে চিরতরে বদলে দিয়েছে। তারা এখন সামরিক শক্তি বাড়াতে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

কিছু কোম্পানির জন্য এই সংঘাত উল্টো বিপুল মুনাফা অর্জনের বড় সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

ইরানের আবারও হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।

হরমুজ প্রণালিতে গতকাল শনিবার একটি তেলবাহী জাহাজে অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হানার পর নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ও ইরানের মধ্যে যে এলোমেলো, অসংলগ্ন কূটনীতি চলছে, তা দেখে অনেকেরই মনে হতে পারে যে বিশ্বরাজনীতি যেন সম্পূর্ণ দুর্বোধ্য হয়ে উঠেছে।

ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই এসব জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে।