
পবিত্রতম দিনে ক্ষমা ও রহমতের আশায় আরাফাতের ময়দানে হাজিরা
মিনা থেকে হজযাত্রীদের স্রোত মিশেছে ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে।

মিনা থেকে হজযাত্রীদের স্রোত মিশেছে ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে।

নবম হিজরির সিদ্দিকি হজ ছিল দশম হিজরির বিদায় হজের এক অপরিহার্য প্রস্তুতি। এই হজের মাধ্যমে কাবা শরিফকে শিরক ও জাহেলি আচার থেকে মুক্ত করা হয় এবং হজের বিধানাবলি ঘোষণা করা হয়।

তাওয়াফ শুরুর আগে পুরুষদের ইহরামের পোশাকে বিশেষ পরিবর্তন আনতে হয়। ইহরামের ওপরের অংশ বা চাদরটি ডান বগলের নিচ দিয়ে এনে বাঁ কাঁধের ওপর রাখতে হয়।

সৌদি আরবের স্থানীয় সময় আজ ৯ জিলহজ মঙ্গলবার। পবিত্র হজের মূলস্তম্ভ, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। ফজরের নামাজের পর থেকেই লাখো হাজি মিনার সাদা তাঁবু ছেড়ে রওনা হয়েছেন আরাফাতের ময়দানে গেছেন।

আল্লাহর হুকুমের সামনে ব্যক্তিগত ইচ্ছা, আবেগ ও যুক্তি গৌণ। ইবাদতের পেছনের সব রহস্য মানুষের বোধগম্য না হলেও মুমিন তা পালন করেন আল্লাহর আদেশ হিসেবে।

চলতি বছর হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে স্থানীয় সময় আজ সোমবার, ৮ জিলহজ। আজ আল্লাহর মেহমান হজযাত্রীরা পবিত্র মক্কা নগর থেকে মিনায় যাচ্ছেন।

পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

নবীজি (সা.)-এর যুগে মারওয়ায় কোরবানি হতো না; বরং মিনায় কোরবানি হতো, যা মক্কা থেকে তিন মাইল দূরত্বে অবস্থিত। তথাপি তিনি মারওয়াকে কোরবানির স্থান বলেছেন।

মিনা থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আরাফাত ময়দান। এ ময়দানে হাজিদের জন্য হাজার হাজার অস্থায়ী তাঁবু টানানো আছে।

পবিত্র মক্কা মুকাররমার হারাম শরিফের কেন্দ্রস্থল কাবা শরিফসহ হাতিম, হাজরে আসওয়াদ, জমজম কূপ, সাফা-মারওয়া, আরাফাত, মিনা ও জামারাতসহ ফজিলতপূর্ণ স্থানগুলোর বিবরণ। এসব স্থান হজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং ইসলামি ঐতিহ্যের স্মৃতিচিহ্ন। ইসলামি বর্ণনা অনুসারে এগুলোর ফজিলত ও তাৎপর্য তুলে ধরা হয়েছে।