
সিঙ্গাপুরের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আনতে প্রতি টনে ৩ হাজার টাকা বেশি ব্যয় হবে
ক্রয় কমিটিতে অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের গমের দাম প্রতি টন ৩২২ মার্কিন ডলার আর সিঙ্গাপুরের গমের দাম প্রতি টন ২৯৭ দশমিক ৯২ মার্কিন ডলার।

ক্রয় কমিটিতে অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের গমের দাম প্রতি টন ৩২২ মার্কিন ডলার আর সিঙ্গাপুরের গমের দাম প্রতি টন ২৯৭ দশমিক ৯২ মার্কিন ডলার।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, এটি অগ্রহণযোগ্য। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্টে’ রয়েছে। ইরান দাবি করেছে ক্ষতিপূরণ ও নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া।

দ্য ইকোনমিস্ট-এর প্রতিবেদনে ফাঁস হয়েছে রাশিয়ার গোপন পরিকল্পনা, যাতে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ফাইবার-অপটিক ও স্টারলিংক ড্রোন সরবরাহ এবং প্রশিক্ষণের প্রস্তাব ছিল। জিআরইইউ-এর ১০ পৃষ্ঠার নথিতে ডায়াগ্রাম ও মানচিত্র রয়েছে। ড্রোন সরবরাহ বা প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়।

যুদ্ধ শেষ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ১৪ দফার নতুন একটি প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য যুদ্ধ বন্ধ করা এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনা। গত শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি নতুন প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করছেন, তবে এখনো চুক্তির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাননি।

মার্কিন সিনেটে ইরান যুদ্ধ থেকে সেনা প্রত্যাহারের ডেমোক্র্যাট প্রস্তাব ৪৭-৫০ ভোটে নাকচ হয়েছে।

এ পদক্ষেপের ফলে আট সপ্তাহে গড়িয়ে যাওয়া ইরান যুদ্ধের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আরও একটি সুযোগ হারাল কংগ্রেস।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আগের মার্কিন প্রেসিডেন্টদের কাছে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ বন্ধে আরও আলোচনার ভিত্তি হিসেবে ইরানের ১০ দফার প্রস্তাব ব্যবহারে সম্মতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের এই প্রস্তাবে অনাক্রমণের নিশ্চয়তা, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ক্ষতিপূরণসহ বিভিন্ন দাবি রয়েছে।

ইরানের ওপর দুই সপ্তাহের হামলা স্থগিতের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ই নিজেদের বিজয় দাবি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এটাকে ‘পূর্ণাঙ্গ বিজয়’ বলেছেন, যখন ইরান তাদের ১০ দফা প্রস্তাব গ্রহণ করানোর কৃতিত্ব নিয়েছে। ‘আমরা ৩৮ দিনের মধ্যে আমাদের মূল সামরিক লক্ষ্যগুলো অর্জন করেছি।’

ইসলামাবাদে ১১ এপ্রিল শান্তি আলোচনার জন্য ইরান ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ, নিষেধাজ্ঞা বাতিলসহ কঠোর শর্ত রয়েছে। তেহরান এছাড়া যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ ও সম্পদ ফেরতেরও দাবি জানিয়েছে।

ইসরায়েল ও মার্কিন হামলার চাপে ইরান এনপিটি ছাড়ার প্রস্তাব নিয়েছে। পারমাণবিক স্থাপনা, ইস্পাত কারখানা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা তীব্রতর হয়েছে। দেশে ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন, থমথমে পরিস্থিতি চলছে।

মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত গণহত্যার স্বীকৃতির দাবিতে যে প্রস্তাব উপস্থাপিত হয়েছে, তার উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা প্রশ্ন করতে পারি। কিন্তু এর ঐতিহাসিক সত্যকে অস্বীকার করতে পারি না।