
ইরান যুদ্ধ: শেষ হচ্ছে মার্কিন আধিপত্য
ইরান যুদ্ধ: শেষ হচ্ছে মার্কিন আধিপত্য

ইরান যুদ্ধ: শেষ হচ্ছে মার্কিন আধিপত্য

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত রোববার ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ আরোপের ঘোষণা দেন।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, তেল উৎপাদন কমিয়ে টানা দুই মাস রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ রাখলেও ইরানের অর্থনীতিতে খুব বড় কোনো প্রভাব পড়বে না।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘খুব শিগগির’ ইরান যুদ্ধ শেষ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও যুদ্ধের শেষসীমা দেখতে পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব এবং চলমান হামলার মধ্যে মার্কিন নাগরিকরা দ্রুত যুদ্ধবিরতি চান।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার ওপরও ইরান যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে।

গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন প্রভাব বিস্তারে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের মিত্ররা।

ইরানকে প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেমোক্র্যাট নেতারা এই বক্তব্যকে নিন্দনীয় ও ভয়াবহ বলে সমালোচনা করেছেন। যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়েছে, যা মার্কিন নাগরিকদের জীবনে প্রভাব ফেলছে।

এই যুদ্ধের খরচ শুধু অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জামে সীমাবদ্ধ নয়। এর প্রভাব ইতিমধ্যেই সাধারণ মার্কিন নাগরিকের জীবনে পড়তে শুরু করেছে।

শুক্রবার একদিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরান। এফ-১৫ই এবং এ-১০ মডেলের বিমান দুটি পৃথক ঘটনায় ধ্বংসের শিকার হয়েছে বলে ইরান দাবি করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এ ঘটনা আলোচনায় প্রভাব ফেলবে না।

ইরানের খারগ দ্বীপ দখলের সম্ভাবনা মার্কিন জোটের মিত্রদের শর্তসাপেক্ষ অবস্থানকে প্রকাশ করছে। তেল সরবরাহের ঝুঁকি ও অর্থনৈতিক প্রভাব জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসনের সামনে এই চ্যালেঞ্জ গুরুতর।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জার্মানিতে মোতায়েন থাকা ৩৬ হাজার ৪০০ মার্কিন সেনা সদস্যের মধ্য থেকে ৫ হাজার সেনা সরিয়ে নিচ্ছেন। এর কী প্রভাব পড়বে, তা গার্ডিয়ানের এক্সপ্লেইনারে।

২৩ জুন নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ডেমোক্রেটিক প্রাইমারি নির্বাচন ভবিষ্যতে মার্কিন রাজনীতির এক মোড় ঘোরানো মুহূর্ত হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকতে পারে। এই নির্বাচন শুধু নিউইয়র্কেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু এর প্রভাব অনেক দূর পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ফলাফল বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির ভেতরে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটছে, প্রগতিশীল রাজনীতির প্রভাব বাড়ছে আর মুসলিম ও আরব-আমেরিকানরা এখন জনজীবনে ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছেন।