
মাদুরোকে তুলে নেওয়ার সময় মার্কিন অভিযানে ৫৭ জন নিহত
মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে সোমবার স্থানীয় সময় সকালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের একটি আদালতে হাজির করা হয়।

মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে সোমবার স্থানীয় সময় সকালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের একটি আদালতে হাজির করা হয়।

সম্ভাব্য স্থল অভিযানের পরিকল্পনার বিষয়ে মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের মুখপাত্র কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে চালানো সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নিয়ে বিতর্ক যেন থামছেই না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীন সফর শেষে গতকাল শুক্রবার দেশে ফিরেছেন। এখন তিনি ইরান নিয়ে বড় ধরনের কিছু সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

সৌদি আরব ও কুয়েত মার্কিন সামরিক অভিযান ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ পুনরায় শুরু করতে আকাশসীমা ও ঘাঁটি ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই অনুমতি ট্রাম্প প্রশাসনের একটি বড় বাধা দূর করেছে। ‘ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৫০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে। যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও সতর্কতা বজায় রেখেছে মার্কিন বাহিনী। ট্রাম্প শর্ত মেনে নিলে যুদ্ধ শেষ করবেন বলেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের এ সেনাসদস্যের নাম গ্যানন কেন ভ্যান ডাইক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার জ্যেষ্ঠ সামরিক উপদেষ্টা মহসেন রেজায়ি সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালি অবরোধ করা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো এখন ইরানের ‘আঘাত সামরিক হামলার আওতার মধ্যে’ রয়েছে।

আর্টেমিস-২ মিশনের চার নভোচারী চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করে প্রশান্ত মহাসাগরে নিরাপদে অবতরণ করেছেন। মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজে নিয়ে তাঁদের চিকিৎসা করা হচ্ছে। এই অভিযানে একাধিক নতুন রেকর্ড গড়া হয়েছে।

ইরানে নিখোঁজ মার্কিন সেনার খবর ফাঁসকারী সাংবাদিককে কারাগারে পাঠানোর হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গোপনীয় তথ্য ফাঁসের ফলে উদ্ধার অভিযান জটিল হয়। ইরানি গণমাধ্যম প্রথম বিমান বিধ্বস্তির খবর প্রচার করেছিল।

ইরানে আহত মার্কিন কর্নেল উদ্ধার অভিযান থেকে ট্রাম্প শিক্ষা নিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। তিনি ইরানকে অশ্লীল ভাষায় হরমুজ প্রণালি খোলার হুমকি দিয়েছেন এবং স্থল অভিযানের কথা ভাবছেন। আমেরিকান রাজনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা তাঁর এই আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

ইরানে নিখোঁজ মার্কিন বিমান সেনা উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রের ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে দুটি যুদ্ধবিমান অকেজো হয়। ইরানি বাহিনী ঘিরে ফেলায় মার্কিন সেনারা নিজেরাই বোমা মেরে সেগুলো ধ্বংস করে। গোপনীয় সরঞ্জাম শত্রুর হাতে না পড়ার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।